সিলেটটুডে ডেস্ক

৩১ জুলাই, ২০১৯ ১৮:৫৯

আয়কর ব্যক্তি ও পরিবারকে সুরক্ষা দিতে পারে: মেয়র আরিফ

আয়কর ব্যক্তি ও পরিবারকে সুরক্ষা দিতে পারে বলে মন্তব্য করে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আয়কর সনদ সর্ব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আয়কর দেওয়ার অর্থ এই নয়, যে আপনার উপর আয়করের বুঝা বেড়ে যাবে। আয়কর দিয়ে নিজে নিশ্চিত হন, দেশকে উন্নতির দিকে নিয়ে যান।

তিনি বলেন, সহজে কর আদায় করতে হলে মানুষের মধ্যে থেকে ভীতি কাটাতে হবে। আয়কর বিষয়ে এখনো মানুষের মধ্যে পুরনো সেই ভীতির ভ্রান্ত ধারণা বিরাজমান রয়েছে।

বুধবার (৩১ জুলাই) সিলেট সিটি করপোরেশনের ৭,৮,৯ ও ১০ নং ওয়ার্ডে আয়কর জরিপ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সিলেটে শতকরা ৭০ ভাগ বাড়ি ঘর প্রবাসের টাকায় নির্মিত। তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠায়। প্রবাসীদের রেমিটেন্সের টাকা দেশের ব্যবসা বাণিজ্যে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তাই প্রবাসীদের আইনগতভাবে কিভাবে সহায়তা করা যায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সিলেট কর অঞ্চলের কর কমিশনার রনজীত কুমার সাহা বলেন, জরিপ কার্যক্রম চলাচলে কেউ তথ্য দিয়ে সহায়তা না করলে আমরা ধরে নেবো এই লোকের কোনো ট্যাক্স ফাইল নাই। তাই জরিপ চলাকালে সবাইকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া কেউ বাসা-বাড়িতে অনুপস্থিত থাকলে প্রয়োজনে আয়কর জরিপের লোকজন আবার যাবে। এক্ষেত্রে সহায়তা না পেলে কাউন্সিলরদের দ্বারস্থ হবো।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, সিসিকের ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফতাব হোসেন খান,  ৮ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর মো. ইলিয়াছুর রহমান, ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মখলিছুর রহমান কামরান, ১০ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিল তারেক উদ্দিন তাজ, আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল ফজল, সাবেক সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় ধর ভুলা, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল কবীর, প্রবীণ সাংবাদিক আফতাব চৌধুরী, অনলাইন প্রেসক্লাব সভাপতি মুহিত চৌধুরী ও করদাতা  স্বপন বর্মন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সিলেটে রাজস্ব ভবন দাবি তোলেন আয়কর কর আইনজীবীরা।

সহকারি কর কমিশনার মো. নাসির উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বগত বক্তব্য দেন সিলেট কর অঞ্চলের যুগ্ম কর কমিশনার পঙ্কজ লাল সরকার। উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম কর কমিশনার সাহেদ আহমদ চৌধুরী ও উপ কর কমিশনার (সদর ও প্রশাসন) কাজল সিংহ।

সিলেট কর অঞ্চল সূত্র জানায়, জরিপে ২০১৭-১৮ সালে ৩৮ হাজার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২৫ হাজার ২৭৮ জন করদাতা সনাক্ত করা হয়। আর ২০১৮-১৯ সালে ২৭ হাজার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২৭ হাজার ৯২০ জন করদাতা সনাক্ত করা হয়। ২০১৯-২০ সালে করদাতা বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা  ২৮ হাজার থাকলেও তা ৫০ হাজারে উন্নীত করা হবে জানান সিলেট কর অঞ্চলের কর কমিশনার রনজীত কুমার সাহা।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত