সিলেটটুডে ডেস্ক

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১৯:১১

‘মুক্তিযুদ্ধ এবং বুদ্ধিজীবীদের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে’

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে লিডিং ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে ১৪ ডিসেম্বর (বুধবার) সকাল ১০টায় শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হলরুমে ”মুক্তিযুদ্ধে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর মো: নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে আধুনিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. খন্দকার মো: মমিনুল হক এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার প্রফেসর ড. এস. এম. আলী আক্কাস উপস্থিত ছিলেন।

লিডিং ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মিসেস রুম্পা শারমীনের সঞ্চালনায় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, জ্ঞান চর্চা এবং মুক্তিযুদ্ধে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা অপরিসীম। তারা ছিলেন কাগজে কলমে শক্তিশালী, বুদ্ধি-ভিত্তিতে স্বাধীনতার চেতনা। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যারা সংঘটিত হয়ে বাংলার স্বাধীনতার জন্য কাজ করেছেন, হানাদার বাহিনী তাদেরকে নির্মূল করতেই এধরনের হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল। বুদ্ধিজীবীদের অবদানের কথা আগামী প্রজন্মকে অবহিত করতে হবে।

সভায় বক্তব্য রাখেন, লিডিং ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর মো: নজরুল ইসলাম, আধুনিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. খন্দকার মো: মমিনুল হক, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার প্রফেসর ড. এস. এম. আলী আক্কাস, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা প্রফেসর মো: আবুল কালাম চৌধুরী, ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এ্যাসিউরেন্স সেল (আই.কিউ.এ.সি.) এর ডিরেক্টর ও ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো: রেজাউল করিম, ইংরেজি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান মো: আসাদুজ্জামান খান, আই.কিউ.এ.সি.এর এডিশনাল ডিরেক্টর ও সহকারী অধ্যাপক স্থপতি রাজন দাশ, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান আবুল আবরার মাসরুর আহমেদ এবং পাবলিক হেলথ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান কেএমএ শফিক।

বক্তারা বলেন, শিক্ষা জাতীর মেরুদণ্ড, আর এই শিক্ষা প্রদানকারীরাই হল বুদ্ধিজীবী, তারা জ্ঞানের ধারক এবং বাহক হিসাবে জাতিকে পথ দেখিয়েছে হত্যাকারীরা তাদেরকে স্তিমিত করতে চেয়েছিল। বুদ্ধিজীবীরা ছিল খুবই বড় মাপের, তারা মাথা নত করেননি, আর সেই জন্যই তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ এবং আজকের স্বাধীনতায় তাদের অবদানের জন্য তাদের নামফলক আজ আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দেখতে পাই। বুদ্ধিজীবীরা ছিল সৃষ্টিশীল, বিভিন্ন পেশাজীবীর মানুষ, যাদের কারণে আজ আমরা লাল-সবুজের পতাকা পেয়েছি। বাংলাদেশের ইতিহাসে শোকাবহ ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের শিকার বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানসমূহে আরও উপস্থিত ছিলেন রাগিব-রাবেয়া ফাউন্ডেশনের সচিব ইঞ্জিনিয়ার মো: লুৎফর রহমান, লিডিং ইউনিভার্সিটির সকল বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত