২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:২৩
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশে নিউমোনিয়ায় ১৮ শতাংশ শিশুর মৃত্যু হয় এখনো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে ২৫ লাখের বেশি মানুষ নিউমোনিয়া আক্রান্ত হন, এর অর্ধেকের বেশি পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। নিউমোনিয়া ফুসফুসের এমন একটি প্রদাহ, যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের সংক্রমণ থেকে হয়ে থাকে। ফলে ফুসফুসের বায়ুথলিগুলো তরল পুঁজে ভরে যায় এবং অক্সিজেন আদান-প্রদানে সমস্যা সৃষ্টি করে।ফলে শিশুর শ্বাসকষ্ট অনুভব হয়। তবে ঠান্ডায় সর্দি-কাশির লক্ষণ মাত্রই নিউমোনিয়া এমন নয় ,হতে পারে ব্রঙ্কিওলাইটিসও ।
এবারও শীতের শুরুতেই ঠান্ডা-কাশি, শ্বাসকষ্টে শিশুরা আক্রান্ত হতে শুরু করেছে। সব ঠান্ডা-কাশি, শ্বাসকষ্টজনিত রোগ ব্যাকটেরিয়াজনিত নিউমোনিয়া নয়, ভাইরাসজনিতও হতে পারে। অনেক সময় রেসপিরেটরি সিনসাইটিয়াল ভাইরাসজনিত (আরএসভি) ব্রঙ্কিওলাইটিসের প্রাদুর্ভাবও দেখা যায়। ব্রঙ্কিওলাইটিসে ফুসফুস সংলগ্ন শ্বাসনালির ছোট ছোট শ্বাসনালি আক্রান্ত হয়। নিউমোনিয়া ও ব্রঙ্কিওলাইটিস রোগের কিছু বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণ করলেই আমরা এই রোগগুলো সম্পর্কে ধারণা পেতে পারি।
সাধারণত দুই মাস থেকে দুই বছরের শিশু ব্রঙ্কিওলাইটিসে আক্রান্ত হতে পারে, তবে দুই থেকে ছয় মাসের শিশু বেশি আক্রান্ত হয়। ব্রঙ্কিওলাইটিস হলে নাকে পানি ও নাক বন্ধ হয়ে যায়। তবে নিউমোনিয়ায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এ সমস্যা থাকে না। ব্রঙ্কিওলাইটিসে জ্বর সামান্য থাকলেও নিউমোনিয়া হলে জ্বর প্রায়ই বেশি থাকে। খুব কাশি ও কাশতে কাশতে বমি ব্রঙ্কিওলাইটিসের লক্ষণ। নিউমোনিয়ায় কাশি হলেও তা তুলনামূলক কম । ব্রঙ্কিওলাইটিসে শ্বাসকষ্ট খুব বেশি হয়। নিউমোনিয়ার ফলে বিস্তৃতি অনুযায়ী শ্বাসকষ্ট বেশি হতে পারে।
আপনার মন্তব্য