সিলেটটুডে ডেস্ক

০২ আগস্ট, ২০২১ ১৫:১৪

চিকিৎসক ঈশিতার বিরুদ্ধে ৩ মামলা

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এবং দেশি ও বিদেশি সংস্থার ভুয়া প্রতিনিধি পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে তরুণ চিকিৎসক ইশরাত রফিক ঈশিতার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (২ আগস্ট) সকালে ঈশিতা ও তার সহযোগী দিদারের বিরুদ্ধে রাজধানীর শাহআলী থানায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।

র‍্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শাহ আলী থানায় মামলাগুলোর মধ্যে একটি ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে, আরেকটি প্রতারণা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ২৩, ২৪ ও ৩৫ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শাহআলী থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান জানান, দুই মামলায় ৫ দিন করে মোট ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আসামি ইশরাত ও দিদারকে বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হবে। আরেকটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এর আগে পুলিশের এলিট ফোর্স র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) হাতে রাজধানীর মিরপুর থেকে গ্রেফতার হন ভুয়া বিশেষজ্ঞ ডিগ্রী দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার ভুয়া প্রতিনিধি পরিচয় দেওয়া ইশরাত রফিক ঈশিতা (আইপিসি)।

রোববার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, রোববার সকালে রাজধানীর শাহ আলী থানাধীন মিরপুর-১ থেকে ঈশিতাকে (৩৪) ও তার সহযোগী শহিদুল ইসলাম ওরফে দিদারকে (২৯) গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হতে ২০১৩ সালে (সেশন ২০০৫-২০০৬) এমবিবিএস সম্পন্ন করে ২০১৪ সালে মিরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে যোগদান করেন। তবে চার মাস চাকরি না করতেই শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে চাকরিচ্যুত হন ইশরাত রফিক ঈশিতা। এরপরই শুরু তার বহুমুখী প্রতারণা। নিজেকে চিকিৎসা শাস্ত্রের বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও গবেষক হিসেবে পরিচয় দেন। এমপিএইচ, এমডি, ডিও’সহ নানা ভুয়া বিশেষজ্ঞ ডিগ্রি ব্যবহার শুরু করেন। ভুয়া ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ হিসেবেও বিভিন্ন মতবাদ প্রচার করতে থাকেন। এজন্য বিভিন্ন সাইটে চিকিৎসা শাস্ত্রে গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ, আর্টিকেল বা থিসিস পেপার ভুয়া প্রকাশনাও ব্যবহার করেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত