০৯ নভেম্বর, ২০২১ ১১:১৯
করোনার চিকিৎসায় মুখে খাওয়ার নতুন ওষুধ ‘মলনুপিরাভির’ দেশেই তৈরি হচ্ছে। সোমবার দেশীয় একটি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে এই অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। এই সপ্তাহে আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও একই অনুমোদন পাচ্ছে। মূলত সর্দি-জ্বরের চিকিৎসার জন্য তৈরি মলনুপিরাভির বড়ির কোভিড-১৯ রোগীদের ওপর পরীক্ষামূলক প্রয়োগে আশা জাগানো সাড়া দেখা গেছে। এই বড়ি সেবনে হাসপাতালে ভর্তি বা মৃত্যুর ঝুঁকি অর্ধেক কমেছে বলে প্রমাণ মিলেছে। খবর বিডিনিউজের।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আইয়ুব হোসেন সোমবার রাতে বলেন, বাংলাদেশে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এই ওষুধ তৈরির জন্য আবেদন করেছে। এর মধ্যে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে বেক্সিমকো, স্কয়ার, এসকেএফ, ইনসেপ্টা, জেনারেল ফার্মা, বিকন ফার্মা, রেনাটাসহ ১০টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। আজ বেক্সিমকোকে ইমার্জেন্সি ইউজ অথোরাইজেশন দেয়া হয়েছে। আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে অথোরাইজেশন দেয়া হবে। সেগুলো প্রক্রিয়াধীন।’
যুক্তরাষ্ট্রের দুই কোম্পানি মার্ক শার্প এ্যান্ড ডোম (এমএসডি) ও রিজেবাক বায়োথেরাপিউটিক যৌথভাবে তৈরি করেছে লাগেভ্রিও (মলনুপিরাভির) নামে মুখে খাওয়ার এই ওষুধ। করোনায় আক্রান্ত রোগীদের দিনে দুবার করে এই ওষুধ দেয়া হয়। মলনুপিরাভির মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকা কোভিড-১৯ রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার বা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার হার ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে পারছে বলে পরীক্ষামূলক প্রয়োগে প্রমাণ মিলেছে।
আইয়ুব হোসেন বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশ কোভিড-১৯ মুক্ত হোক। যত দ্রুত ওষুধটি আনা যায়, ততই ভাল। এজন্য আমরা চেষ্টা করছি। এই অনুমোদন পাওয়ার পর বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো মলনুপিরাভির ওষুধ তৈরি করে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে জমা দেবে। সবকিছু ঠিক থাকলে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এই ওষুধ তৈরি ও বাজারজাত করার অনুমতি দেবে।
আপনার মন্তব্য