১৭ জুলাই, ২০২৫ ২০:৫৭
গোপালগঞ্জে বুধবার সংঘাত চলাকালে সেনাবাহিনীর সতর্ক অবস্থান। ছবি সংগৃহীত
গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশে হামলা ও সংঘাতের ঘটনায় বুধবার ৪ জন নিহত হন। এতে আহত হন অনেকে। এ ঘটনার পর থেকে গোপালগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
সংঘাতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক আহত হন। এছাড়া শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সরকারি যানবাহনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।
এ নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জনসমাবেশ চলাকালে একদল সন্ত্রাসী মঞ্চে এবং জেলা কারাগারে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে গেলে সেনাবাহিনী মাইকিং করে হামলাকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানায়। তবে তারা সেনাবাহিনীর ওপরও হামলা চালায়, ককটেল ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। আত্মরক্ষার্থে সেনাবাহিনী বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়।
পরবর্তীতে সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে খুলনায় স্থানান্তর করা হয়।
আইএসপিআরের বিবৃতিতে জানানো হয়, বর্তমানে গোপালগঞ্জে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। প্রশাসনের জারি করা কারফিউ বলবৎ রয়েছে। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য সংস্থা সমন্বিতভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাজ করছে।
বিবৃতিতে গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে শান্ত থাকার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, 'বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও জননিরাপত্তা রক্ষায় সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'
আপনার মন্তব্য