১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:১৪
পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তী (বায়ে) ও পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্ত। ফাইল ছবি
সিলেটে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হয়েছিল পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্ত (৩১) নামে এক তরুণ চিকিৎসকের মরদেহ। এর ঠিক ১১ দিন পর মৌলভীবাজারে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রান্ত’র বাবা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মরদেহ।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজার শহরের এম সাইফুর রহমান সড়কে অবস্থিত ভটের ফার্মেসির দ্বিতীয় তলায় নিজ বাসায় খেকে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফার্মেসি ব্যবসায়ী পুর্ণেন্দু নিজ প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় তলায় থাকতেন।
১১ দিনের মধ্যে বাবা ছেলের রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেতর থেকে বন্ধ থাকা দরজা ভেঙে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।
মৌলভীবাজার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনোজ কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। বিষয়টির তদন্ত চলছে।
মৌলভীবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে শনিবার সিলেটটুডেকে বলেন, কয়েকদিন আগে তার ( পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তী) চিকিৎসক ছেলে আত্মহত্যা করেন। স্ত্রীর সাথে ঝামেলা থেকেই ছেলে এমনটি করেন বলে শুনেছি। এই শোকেই পূর্ণেন্দু চক্রবর্তীও আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর সিলেট নগরের মির্জাজাঙ্গাল একটি ভাড়া বাসা থেকে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর একমাত্র ছেলে ডা. পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্ত (৩১)-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ডা. প্রান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ছিলেন।
বছর দুয়েক আগে বিয়ে করা এই তরুণ চিকিৎসকের নতুন বাসায় ওঠার পরদিনই এমন অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। যদিও পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, ডা. প্রান্ত আত্মহত্যা করতে পারেন।
আপনার মন্তব্য