নিউজ ডেস্ক

২৩ জুন, ২০১৫ ১৭:৩৩

জনগণ আওয়ামীলীগের পাশেই আছে: শেখ হাসিনা

অপপ্রচারে ‘বিভ্রান্ত না হয়ে’ আওয়ামী লীগের পাশে থাকায় দলের ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

জাতীয় সংসদে মঙ্গলবার অধিবেশনের শুরুতেই এক অনির্ধারিত আলোচনায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “জনগণ বিভ্রান্ত হয়নি। জনগণ আওয়ামী লীগের পাশেই ছিল।”

আওয়ামী লীগকে সব সময় ‘অপপ্রচার মোকাবেলা করেই’ এগিয়ে যেতে হয়েছে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ‘শান্তিপূর্ণ ও উন্নত-সমৃদ্ধ’ দেশে পরিণত করতে সবার সহযোগিতা চান।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে আত্মপ্রকাশ ঘটে আওয়ামী লীগের। প্রতিষ্ঠার পর থেকে রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এ দল হয়ে ওঠে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই ১৯৭১ সালে শুরু হয় স্বাধীনতার যুদ্ধ। নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যূদয় ঘটে বাংলাদেশের।

১৭৫৭ সালে এই ২৩ জুনই পলাশীর যুদ্ধে সিরাজুদ্দৌলার পরাজিত হওয়ার কথা মনে করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “যে স্বাধীনতার সূর্য সেদিন অস্তমিত হয়েছিল, তা উদিত করতেই ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী লীগের জন্ম।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ আওয়ামী লীগকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, সরকার তা আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করছে।

“আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার বহু চেষ্টা হয়েছে। কেউ সফল হয়নি, পারবেও না”, বলেন আওয়ামী লীগ প্রধান।

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ শত প্রতিকূলতার মধ্যেও টিকে থেকেছে। যে আদর্শ নিয়ে আওয়ামী লীগ গড়ে উঠেছে, তাতে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করা সহজ নয়। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে আওয়ামী লীগের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত।”

সরকার বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থার কথা বিবেচনা করেই রাষ্ট্র পরিচালনা করছে জানিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, “বাংলাদেশ পারে, বাংলাদেশ পারবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া এই দেশ এগিয়ে যাবে।”

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যের শুরুতে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও হোসেন শহীদ সোহরায়োর্দীকেও স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, “অসাম্প্রদায়িক চেতনায় দেশ যাতে এগিয়ে যেতে পারে- সে লক্ষ্যেই আওয়ামী লীগ কাজ করছে।”

অন্যদের মধ্যে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ আলোচনায় অংশ নেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত