সিলেটটুডে ডেস্ক

৩১ জুলাই, ২০১৫ ০৮:৫৩

দূর্বল কোমেন, নামল বিপদ সংকেত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’ ক্রমশ দুর্বল হয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় অধিদফরের আবহাওয়াবিদ মো. রাশেদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ফলে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বন্দরগুলোকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৩ নম্বর স্থানীয় সর্তকর্তা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

একই সঙ্গে মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৩ নম্বর স্থানীয় সর্তকর্তা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থল নিম্নচাপটি বর্তমানে নোয়াখালী ও তৎসংলগ্ন স্থলভাগ এলাকায় অবস্থান করছে। এর আগে এটি উপকূল অতিক্রম করার সময় উত্তর দিকে সরে গিয়ে শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ৬টায় সন্দ্বীপের কাছ দিয়ে চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করেছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমশ দুর্বল হয়ে যেতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে নয়টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও দশটার পর হাতিয়া উপকূল দিয়ে অতিক্রম শুরু করে। উপকূল অতিক্রম করার সময় এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে থাকে। বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার। বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়টি দুর্বল হয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়। সে সঙ্গে কমে বাতাসের গতিবেগ।

ঝড়ের প্রভাবে রাজধানীসহ উপকূলীয় সবগুলো জেলায় গভীর রাত থেকে দমকা হাওয়া এবং মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কোমেনের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকার নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিকের চেয়ে তিন থেকে পাঁচ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তবে এমন কোনো কিছু না হলেও কোমেনের প্রভাবে কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, টেকনাফ, হাতিয়া, ভোলা, পটুয়াখালীসহ বেশ কয়েকটি জেলা প্লাবিত হয়।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সেন্টমার্টিন, পটুয়াখালী, ভোলা, হাতিয়া, ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় সাতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া সকালে ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে ভোলার চরফ্যাশনে ৩টি মাছধরা ট্রলার ডুবে ২৪ জেলে নিখোঁজ ও চর কুকরিমুকরিতে ১৪ জেলে নিখোঁজ রয়েছে বলেও জানা গেছে। বাংলানিউজ। 

আপনার মন্তব্য

আলোচিত