সিলেটটুডে ডেস্ক

১৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:৩০

কালোকে কালো বলার নীতিতে কালবেলা: সিলেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে বক্তারা

সিলেটে দৈনিক কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। সুধীজনদের মিলনমেলায় পরিণত হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে কালবেলার সিলেট কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান কালবেলার সিলেট ব্যুরো প্রধান মিঠু দাস জয়। পরে অতিথিরা কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনের সূচনা করেন।

এর আগে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, কালবেলা ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে আমরা সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেখছি। মানুষ নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারছে, সমালোচনা করার সুযোগও পাচ্ছে। কালবেলার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই পত্রিকাটির সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা রয়েছে। আগামী দিনেও পত্রিকাটির অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, কালবেলা সময়কে ধারণ করতে পেরেছে বলে দিন দিন গ্রহণযোগ্যতা পাঠকের কাছে বাড়ছেই। সমাজের নিপীড়িত, নির্যাতিত, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে আছে কালবেলা। কালবেলা আগামী দিনেও গণতন্ত্র ও সমাজের কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী বলেন, বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় পত্রিকা হিসেবে কালবেলা সংবাদ পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলার নীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে পত্রিকাটি। আমরা মনে করি, কালবেলার অনলাইন ও প্রিন্ট সংস্করণ সমানতালে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে, কালবেলার অনলাইন সংস্করণ বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান কয়েস লোদী বলেন, সংবাদমাধ্যম সমাজের দর্পণ। সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তাঁরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। কালবেলা মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবে বলে আমরা আশা করি। পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল হোক।

সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, কালবেলার কাছে আমরা বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রত্যাশা করি। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সমাজের সব পক্ষের বক্তব্য তুলে ধরা গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, কালবেলা নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম হিসেবে মানুষের আস্থা অর্জন করে সামনে এগিয়ে যাবে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি। আমরা আশা করছি, পত্রিকাটি একসময় বাংলাদেশের শীর্ষ পর্যায়ে চলে যাবে।

সিলেট জেলার পুলিশ সুপার ড. জাবেদ চৌধুরী বলেন, বর্তমানে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের অপব্যাখ্যামূলক ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। এ পরিস্থিতিতে কালবেলা এসবের বাইরে গিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করছে। আশা করি সংবাদ মাধ্যমে এই গণমাধ্যমটি শীর্ষ স্থান ধরে রাখবে।

সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে কালবেলা জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সমাজের দর্পণ হিসেবে পত্রিকাটি এগিয়ে যাচ্ছে। আমি কালবেলার উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।

ছাত্রশিবিরের সিলেট মহানগর সভাপতি শাহিন আহমদ বলেন, কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের প্রত্যাশা, পত্রিকাটি আগামী দিনে তরুণ সমাজের সমস্যা, বেকারত্বসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সংকটগুলো নিয়ে আরও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও তথ্যচিত্র প্রকাশ করবে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোহাম্মদ তাজউদ্দিন, সিলেট জেলা জামাত আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের দ্বিতীয় সচিব রাজেশ ভাটীয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মাহবুব ইকবাল, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন নুর, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মইন উদ্দিন,সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) সুদীপ্ত রায়, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (ডিসি উত্তর) মো. সাইফুল ইসলাম, নর্থইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক লিয়াকত শাহ ফরিদী, সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুর রহমান রিপন, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিলেট ব্যুরো প্রধান শাহ দিদার আলম নবেল, ইমজার সাধারন সম্পাদক আনিস রহমান, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের প্রধান পরিচালক শামসুল বাসিত শেরো, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও মদন মোহন সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক রজত কান্তি ভট্টাচার্য, সিলেট জেলা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম, সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু, ধরা সিলেটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কীম, সিলেট ছাত্রশিবিরের সভাপতি শহিদুল ইসলাম সাজু, সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল বাছিত মোল্লা, দৈনিক যুগান্তরের ব্যুরো প্রধান সংগ্রাম সিংহ, দৈনিক যুগভেরীর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক অপূর্ব শর্মা,সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হাসিনা বেগম চৌধুরী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক রবি কিরণ সিংহ রাজেশ, সিলেট চেম্বার অব কমার্স এর নির্বাহী সচিব মোহাম্মদ গোলাম আক্তার ফারুক, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার মুহিবুর রহমান, কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার চৌধুরী ফেরদৌস জামিল, হিন্দু ধর্ম কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক ট্রাস্টি ও সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি নীহার রঞ্জন দাস, কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি খান মোহাম্মদ মইনুর জাকির,সিলেট জেলার ডিআইও ১ মো. জাবেদ আলী, সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মনজুর হোসেন,সিলেট জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক লোকমান আহমদ, জেলা বিএনপি’র উপদেষ্টা মো. শওকত আলী, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিএনপির সহ-সভাপতি শওকত আলী, মইনউদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আলমগীর হোসেন, সিলেট মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক নন্দন চন্দ্র পাল, ডেইলি স্টারের ফটো সাংবাদিক শেখ নাসির, দৈনিক যুগান্তরের ফটো সাংবাদিক মামুন হাসান,বাংলা টিভির পার্সন এস আলমগীর, সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিজ খান সজীব, সিলেট মহানগর বিএনপির সদস্য রাসেল আহমদ খান, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আজাদুর রহমান, ব্যবসায়ী বিদ্যুৎ দাস, স্বপন সরকার, টিটু দাস, হিমেল রায়, শাবিপ্রবি প্রতিনিধি নাদির আহমেদ, গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি ফারহান মাসউদ আফসর, জকিগঞ্জ প্রতিনিধি সাইফুর রহমান, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি প্রান্ত, জৈন্তাপুর প্রতিনিধি রুয়েল আহমদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা, প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত