১৯ মার্চ, ২০১৫ ১৯:৫৩
কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচের আম্পায়িং নিয়ে কোন মন্তব্য থেকে বিরত থাকলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। ম্যাচ শেষে প্রতিক্রিয়ায় ছোট্ট কথায় জবাব দিলেন- প্রত্যেকেই দেখেছেন মাঠে কী হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ভারতের বিপক্ষে কোয়ার্টার-ফাইনালে রোহিত শর্মার শতকে ১০৯ রানে হারে বাংলাদেশ। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় রোহিত ৯০ রানে আম্পায়ারের বদান্যতায় জীবন পান। এরপর ২৪ বলে আরো ৪৭ রান করেন তিনি।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফিকে প্রশ্ন করা হয়, সুরেশ রায়নার এলবিডব্লিউ, রোহিতের ‘নো’ বলে আউট হওয়া থেকে বেঁচে যাওয়ার মতো আম্পায়ারের সিদ্ধান্তগুলো বিপক্ষে যাওয়ায় বাংলাদেশের খেলা প্রভাবিত হয়েছে কী না।
মাশরাফির জবাবটা ছিল খুব সংক্ষিপ্ত।
“মাঠে কি হয়েছে, সবাই দেখেছে। আমি এই ব্যাপারে কিছু বলতে চাই না।”
দারুণ বোলিং করে ভারতকে চাপে রেখেছিল বাংলাদেশ। ব্যাটিং পাওয়ার প্লেতে (৩৬-৪০) রানের গতি বাড়াতে মরিয়া ছিল ভারত। এই সময়ে একটা উইকেট ভীষণ দরকার ছিল মাশরাফিদের।
“ভারতের বিপক্ষে সব সময়ই উইকেট নিতে হবে, নয়তো কাজটা খুব কঠিন হবে। সে সময়ে রোহিত আউট হলে খুব ভালো হত।”
‘নো’ বল নিয়ে প্রশ্ন করে আরেকজন জানতে চান, মাশরাফিদের মনে হয়েছিল কী না, আইসিসি অন্য দিনের চেয়ে তাদের ভিন্ন ভাবে দেখেছে।
“আমার মনে হয়, এখানে এর উত্তর দেয়া ঠিক হবে না। আমার আসলে এখানে আলাদাভাবে কিছু বলার নাই। আমাদের সেই সময় একটা উইকেট খুব দরকার ছিল। আমরা ওদের খুব চাপেই রেখেছিলাম। উইকেট হয়েছিল, কিন্তু নো বল কল করেছে আম্পায়ার। বাদ বাকি যে প্রশ্ন ছিল, আমার মনে হয় না এখানে আমার উত্তর দেয়া উচিত।”
ভারত ইনিংসের ৪০তম ওভারে আম্পায়ার আলিম দার ও ইয়ান গৌল্ডের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে বেঁচে যান রোহিত। ফুলটস দিয়েছিলেন রুবেল হোসেন; বলটিতে বাউন্ডারি মারতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ দেন রোহিত। কিন্তু বলটি কোমরের ওপরে ছিল উল্লেখ করে লেগ আম্পায়ার দার বোলিং প্রান্তে থাকা ইয়ান গৌল্ডকে 'নো' বলের সঙ্কেত দেন।
ইংল্যান্ডের আম্পায়ার গৌল্ড তখন 'নো' ডাকলে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। একই সঙ্গে কমেন্ট্রি বক্সেও তুমুল সমালোচিত হয় সিদ্ধান্তটি, যার রেশ চলে ম্যাচ উত্তর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণেও।
আপনার মন্তব্য