০৫ জুন, ২০১৮ ০১:৪৭
২০১৮ বিশ্বকাপে এশিয়া অঞ্চল থেকে প্রতিনিধিত্ব করছে চার দেশ। ১১ বারের মতো বিশ্বকাপ যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। ১৯৮৬ সাল থেকে টানা বিশ্বকাপ খেলছে দেশটি। অপরদিকে ৬ষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলতে প্রস্তুত হচ্ছে সূর্যোদয়ের দেশ জাপান। ফেভারিট না হলেও চমক দেখানোই লক্ষ্য এশিয়ার এই দুই ফুটবল পরাশক্তির। এশিয়া অঞ্চলের এ দুই দেশ ছাড়াও রয়েছে ইরান ও অস্ট্রেলিয়া।
সর্বপ্রথম ১৯৫৪ সালে বিশ্বকাপ নাম লেখায় দক্ষিণ কোরিয়া। ফিফা বিশ্বকাপে দেশটির সর্বোচ্চ অর্জন ২০০২ বিশ্বকাপে চতুর্থ স্থান অধিকার করা। সেমিফাইনালে ১-০ গোলে হেরে যায় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মানির কাছে।
কোরিয়ার কোচের দায়িত্বে আছেন সিন তাই-ইং আর অধিনায়ক কি সুং-ইউইং। ফিফা র্যাংকিংয়ে ৬১ তম অবস্থানে থাকা দলটির এফ গ্রুপের প্রতিপক্ষ সুইডেন, জার্মানি ও মেক্সিকো। ১৮ জুন দক্ষিণ কোরিয়া মুখোমুখি হবে সুইডেনের। ২৩ জুন মেক্সিকোর এবং ২৭ জুন শক্তিশালী জার্মানির সাথে। বলা যায় কঠিন একটি গ্রুপে রয়েছে কোরিয়া।
এশিয়া অঞ্চলের ফুটবলে আরেক পরাশক্তি জাপান। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপ দিয়ে ষষ্ঠ বারের মতো বিশ্ব মঞ্চ মাতাবে দেশটি। এর আগে ১৯৯৮ থেকে টানা বিশ্বকাপে খেলেছে জাপান। সর্বোচ্চ অর্জন ২য় রাউন্ডে খেলা। প্রথমবার ২০০২ সালে এবং সর্বশেষ ২০১০ সালে।
রাশিয়া বিশ্বকাপের জন্য ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছেন জাপানের কোচ আকিরা নিশিনো। প্রাথমিক দলে থাকা কেন্তো মিসাও, ইউসুকে ইদেগুচি ও তাকুমা আসানো চূড়ান্ত দলে জায়গা পাননি। এপ্রিলে কোচ ভাহিদ হালিলহডজিককে ছাঁটাই করে জাপান। অথচ এশিয়ান অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন করে জাপানকে রাশিয়ার টিকিট এনে দিয়েছিলেন এই হালিলহডজিক।
হালিলহডজিকের স্থলাভিষিক্ত করা হয় জাপানের প্রাক্তন মিডফিল্ডার নিশিনোকে। আগামী ১৯ জুন কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে জাপানের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে। ‘এইচ’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ পোল্যান্ড ও সেনেগাল।
ব্রাজিল আর্জেন্টিনা নিয়ে সবাই মেতে থাকলেও জাপান দক্ষিণ কোরিয়া কি করছে সেদিকেও নজর থাকবে এশিয়ার ফুটবল প্রেমীদের।
আপনার মন্তব্য