২৫ জুলাই, ২০২০ ১৩:৫৮
স্ত্রীর বড় ভাইয়ের অতর্কিত হামলা ও উপর্যুপরি কোপে মুমূর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন সারোয়ার হোসেন মারুফ নামের সিলেটের এক যুবক।
২১ জুলাই ঘটনাটি ঘটেছে মারুফের সিলেটের টুলাটিকর এলাকার ফুলবাগের নিজ বাসার সামনেই।
পেছনে থেকে অতর্কিত হামলা হামলা চালিয়ে উপর্যুপরি কোপে জখম করে মোটরসাইকেল করে পালিয়ে যান তার স্ত্রীর বড় ভাই সজীব আহমেদ।
পূর্ব বিরোধের জেরেই নিজের বোনের জামাইয়ের উপর এমন নৃশংশ হামলা চালান সজীব।
আহত মারুফের বুকে, পেটে, পিঠে ও পায়ে সব মিলিয়ে ১২টি কোপ পড়ছে। তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
ডাক্তারের বরাত দিয়ে তার ছোট ভাই মাহিন বলেন, একটি অপারেশন হয়েছে। আরও কয়েকটি অপারেশন লাগবে বলে ডাক্তার জানিয়েছেন।
আহত মারুফ বলেন, গেল বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর সজীবের বোন গুলশান ফেরদৌস মুমুর সাথে আমার বিবাহ হয়। মিলির সম্মতিতেই আমরা বিয়ে করি। কিন্তু তাতে মিলির পরিবারের কারো মত ছিল না। বিয়ের পর থেকেই সজীব বিভিন্নভাবে আমাকে হয়রানি করেছে। মিথ্যা মামলা দিয়েছে। কিন্তু আমার স্ত্রী আমার পাশে থাকায় সব মামলা আমি আইনিভাবে মোকাবেলা করেছি। শেষ পর্যন্ত কিছু করতে না পেরে সজীব হত্যার উদ্দেশ্যে আমার উপর অতর্কিত হামলা চালায়।
আহত সারোয়ার হোসেন মারুফ মৌলভীবাজের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের আজিজুর রহমান ও শেখ শাহেদা বেগমের ছেলে। বিয়ের পর থেকে বাবা-মা ও এক ভাইসহ সিলেটের টুলটিকর এলাকার ফুলবাগে বাসা নিয়ে বসবাস করছেন তিনি। আর মারুফের স্ত্রী গুলশান ফেরদৌস মুমু সুনাগঞ্জ জেলা সদরের হাজী পাড়ার সুরুজ মিয়া ও মনোয়ারা বেগমের কনিষ্ঠ কন্যা।
মুমু বলেন, আমারা উভয়ের সম্মতিতে বিয়ে করে দীর্ঘ ৯ মাস থেকে আমি শ্বশুর বাড়ি অবস্থান করছি। আমাদের বিয়ে মানতে না পারায় হত্যার উদ্দেশ্যে আমার স্বামীর উপর নৃসংশ হামলা চালানো হয়েছো। আমি এর বিচার চাই।
আহত মারুফের ছোট ভাই মাহিন বলেন, আমরা নিরাপত্তহীনতায় ভুগছি। হামলার ঘটনায় সুষ্ঠু বিচারের শাহপরান থানায় আমরা মামলা দায়ের করেছি।
শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়্যুম চৌধুরী বলেন, আমরা মামলা পেয়েছি। আসামিকে গ্রেপ্তার করার জন্য আমাদের টিম কাজ করছে। সে পলাতক। আমরা তাকে শিগগির গ্রেপ্তার করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আদালতে তুলবো।
আপনার মন্তব্য