২৫ জুলাই, ২০২০ ২১:৪০
সিলেটের গোলাপগঞ্জ পৌর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও এনটিভি ইউরোপের গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি মাহবুবুর রহমান চৌধুরীকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি সায়ন আহমদকে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সায়ন আহমদ পৌরসভার রণকেলী নয়াগ্রামের মৃত মজন আলীর বড় ছেলে। তিনি দেড় বছর থেকে সাজা পরোয়ানা নিয়ে পলাতক ছিলেন।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ী থেকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলা নং জিআর ৩০/২০১৬। মামলার অপর ৫ আসামী জেল খেটে আপিলে জামিন পেয়েছেন। এরমধ্যে একজন আসামি বিদেশে পালালেও অন্যতম আসামি সায়ন সাজাপ্রাপ্ত হয়েও আদালতের রায়কে অবজ্ঞা করে জামিন কিংবা আপিল আবেদন না করেই পলাতক ছিলেন।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশিদ চৌধুরী জানান বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সায়নকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সংবাদ প্রকাশের জের ধরে সন্ত্রাসীরা সাংবাদিক মাহবুবের উপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করে ও বাম হাতের হাড় ভেঙ্গে ফেলা হয়।
এই ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক মাহবুব বাদী হয়ে আসামি সায়ন তার ভাই দিদার ও মঞ্জুর সহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় চার্জশীট আদালতে গৃহীত হওয়ার পর ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি সোমবার দুপুর ২টায় শুনানি শেষে সিলেটের বিচারিক ১ম আদালত বিচারক মো. হারুনুর রশিদ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে আদালত উল্লেখ করেন আসামীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আনিত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় প্রধান আসামি দিদারুল আলম দিদারকে দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা মোতাবেক ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দণ্ডিত করা হয়।
এ ছাড়াও আসামি সায়েন আহমদ, মঞ্জুর আহমদ সহ ৫ আসামিকে দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারা মোতাবেক প্রত্যেককে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারায় সকল আসামিকে ৫ শত টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
আপনার মন্তব্য