নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ নভেম্বর, ২০১৫ ০০:৫২

সেই ভিডিওচিত্র ধারণকারীরও যাবজ্জীবন

সিলেটে শিশু রাজন হত্যা মামলায় প্রধান আসামি কামরুল ইসলামসহ চার জনকে মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনকে ৭ বছরের ও ২ জনকে ১ বছরের কারাদন্ড এবং ৩ জনকে খালাস প্রদান করা হয়েছে। এই রায়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে কেবল একজনকে। তিনি নুর আহমদ ওরফে নুর মিয়া।

রাজনকে নির্যাতনের সময় ভিডিওচিত্রে নির্যাতনের দৃশ্য ধারণ করা হয়। নুর মিয়াই নিজের মোবাইল ফোনে এই ভিডিওচিত্রটি ধারণ করেছিলেন। এই ভিডিওচিত্র ধারণের দায়েই তাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৭ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো দুই মাসের জেল প্রদান করেন আদালত।

রবিবার সিলেট দায়রা জজ আদালতের বিচারক আকবর হোসেন মৃধা চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় প্রদান করেন।

রাজন হত্যার পরপরই তাকে নির্যাতনের ভিডিওচিত্র ছড়িয়ে পড়ে ইন্টারনেটে। এই ভিডিওচিত্র দেখেই সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। প্রতিবাদ-ক্ষুভে ফুঁসে ওঠে দেশব্যাপী। সেই প্রতিবাদের তোপেই দ্রুত এই হত্যা মামলার বিচার সম্পন্নের উদ্যোগ নেওয় হয়।

বিচার কাজ শেষে রবিবার ঘোষিত রায়ে ভিডিওচিত্র ধারণকারী নুর মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করা হলো।

গত ৮ জুলাইয়ের ওই হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরুর পর মাত্র ১৭ কার্যদিবসে ঘোষিত হলো দেশজুড়ে আলোচিত এই হত্যা মামলার রায়। গত ২২ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয়েছিল মামলার বিচার।

দিয়েছেন। রায়ে মামলার ১৩ আসামির মধ্যে খালাস পেয়েছেন তিন জন। কামরুলের তিন ভাইয়ের হয়েছে সাত বছর করে কারাদণ্ড। বাকিদের মধ্যে এক জনের যাবজ্জীবন এবং দুই জনের এক বছর কারাদণ্ড হয়েছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত