২৮ জুন, ২০২১ ১৩:৩৪
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আজ থেকে সিলেটসহ পুরো দেশজুড়ে সীমিত পরিসরে ‘লকডাউন’ শুরু হয়েছে। লকডাউনের প্রথমদিন সোমবার (২৮ জুন) সিলেটের রাস্তা-ঘাটে মানুষ ও যানবাহনের চলাচল লক্ষ করা গেছে।
গণপরিবহন ও দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ থাকলেও নগরের বিভিন্ন সড়কে রিকশা, অটোরিকশা, ব্যক্তিগত গাড়ি চলছে দেদারছে। ফুটপাতে রয়েছ সাধারণ মানুষের চলাচল। তবে যান ও পথচারী চলাচল নিয়ন্ত্রণে তৎপর রয়েছেন পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাও। কয়েকটি স্থানে পুলিশের তল্লাশি চৌকিতে যান বাহন আটক করার দৃশ্য দেখা গেছে।
সোমবার সকালে নগরের বন্দর, জিন্দাবাজার, আম্বরখানা, মদিনামার্কেট, শিবগঞ্জ, টিলাগড়সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এমন দৃশ্য।
তবে সরকারি নির্দেশনা মেনে বন্ধ রয়েছে শপিংমল, বিপনীবিতান, মার্কেটসহ সকল ফ্যাশন হাউজ বন্ধ রয়েছে। এদিকে কাঁচাবাজার ও নিত্যপণ্যের পাশাপাশি খোলা রয়েছে ছোটখাটো দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
এছাড়া পাড়া-মহল্লা ও অলি-গলিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সকল দোকান খুলেছে। এসব দোকানে বিভিন্ন পণ্য কিনতে আসছেন অনেকেই। এর বাইরে অনেককেই দেখা গেল কৌতূহলবশত বাসার বাইরে বের হতে বা ঘুরতে। এদিকে এসব আবাসিক এলাকার অধিকাংশ দোকানপাটই ছিল খোলা।
প্রসঙ্গত, সোমবার (২৮ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এই লকডাউন শেষ হবে ১ জুলাই সকাল ৬টায়। এরপর কঠোর লকডাউনে যাবে গোটা দেশ। সেই দিন থেকে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। রোববার (২৭ জুন) মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে লকডাউন দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, সারাদেশে পণ্যবাহী যানবাহন ও রিক্সা ব্যতীত সকল গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক নিয়মিত টহলের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। সকল শপিংমল, মার্কেট, পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (শুধুমাত্র অনলাইন/টেকওয়ে) করতে পারবে।
সরকারি-বেসরকারি অফিস প্রতিষ্ঠানসমূহে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নিজ নিজ অফিসের ব্যবস্থাপনায় তাদের আনা-নেওয়া করতে হবে। জনসাধারণকে মাস্ক পরার জন্য আরও প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
আপনার মন্তব্য