আবুল হোসাইন,দিরাই প্রতিনিধি

০৩ ফেব্রুয়ারি , ২০১৫ ০০:০৯

শাল্লায় গুলিতে নিহতের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানকে আসামী করে হত্যা মামলা

সুনামগঞ্জের শাল্লায় গুলিতে নিহতের ঘটনায় আটগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জুনেদ মনির (প্রদীপ)কে আসামী করে থানায় হত্যা মামলা হয়েছে।

সুনামগঞ্জের শাল্লায় গুলিতে নিহতের ঘটনায় আটগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জুনেদ মনির (প্রদীপ)কে আসামী করে থানায় হত্যা মামলা হয়েছে।নিহতের জামির হোসেনের  পিতা আব্দুল মতিন রোববার রাত ১০টায় শাল্লা থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।মামলা নং ০১ তারিখ ০১/০২/১৫ । গতকাল অভিযান চালিয়ে মামলার এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহতের পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায় আটগাও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জুনায়েদ মনির প্রদীপ তার লোকজন দীর্ঘ দিন ধরে ইট বাটা নির্মানের জন্য চিকাডুপি গ্রামের মতি মিয়ার একটি জায়গা দখলের চেষ্টা করেন ।এনিয়ে তাদের মাঝে পূর্ব বিরোধ চলে আসছিল।শনিবার রাত ১০টার পরে প্রদীপ চেয়ারম্যান,হেকিমআলী গংরা অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে মতি মিয়ার বাড়িতে হামলা করে তার ছেলে জামির হোসেনকে ধরে নিয়ে যায়। পরদিন নদীতে তার লাশ ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায় ।ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বিকাল ৪টায় নিহতের লাশ দাফন হয়েছে।খবর পেয়ে  দিরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ফতেহ মোহাম্মদ ফয়সল তাৎক্ষনিক  ঘটনাস্থল  পরিদর্শন করেন ।শাল্লা থানার অফিসার ইনর্চাজ আনিসুর রহমান জানান, নিহতের পিতা বাদী হয়ে আটগাঁও ইউ/পি চেয়ারম্যান জুনায়েদ মনির (প্রদীপ) কে প্রধান আসামী করে ২০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন ।শাল্লা থানার মামলা নং ০১, তারিখ ০১/০২/২০১৫।পুলিশ হত্যার সাথে জড়িত প্রেমতোষ নামের এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে,সে দাউদপুর গ্রামের প্রেমানন্দ দাসের ছেলে। এদিকে লাশ দাফনের পূবের্ই তড়িগড়ি করে ইউ/পি চেয়ারম্যানকে আসামী করে মামলা দায়েরের বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসীর মনে নানা সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।


      

আপনার মন্তব্য

আলোচিত