২১ আগস্ট, ২০২১ ১৯:০৯
জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের বুধরাইল সড়কের ধোপাখালি খালের ওপর একটি সেতু না থাকায় এলাকাবাসী দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলেন দীর্ঘদিন ধরে। তাদের এ দুর্ভোগ লাগবে প্রায় তিন বছর আগে নির্মাণ হয় সেতু। সেতু নির্মাণ হওয়ায় এলাকাবাসী ভেবেছিলেন তাদের দুর্ভোগ হয়তো শেষ হয়েছে। কিন্তু দুর্ভোগ পিছু ছাড়েনি তাদের। প্রায় দেড় বছর আগে সড়কের দক্ষিণ পাশে সেতুর সংযোগ (অ্যাপ্রোচ) ধসে পড়ে। এতে যান চলাচল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুর্ভোগে পড়েন এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী লোকজন।
বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এলাকাবাসী পারাপারের জন্য ভাঙন স্থানে কাঠ ও বাঁশ দিয়ে সেতুর সাথে সংযোগ তৈরি করেন। এরপর থেকে চলছে ঝুঁকি লোকজন এপারওপার যাতায়াত করছেন। জরুরী প্রয়োজনে চলছে ছোট যানবাহনও। ফলে যে কোনো সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত ভেঙে যাওয়া স্থান মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধরাইল সড়কের এই সেতু দিয়ে ইউনিয়নের প্রধান সড়ক ভবেরবাজার-সৈয়দপুর সড়ক হয়ে ইউনিয়নসহ উপজেলা সদরে চলাচল করেন অনুচন্দ, মোরাদাবাদ, বুধরাইল, উলুকান্দি ও ইসলামপুরসহ সাত গ্রামের মানুষ। দেড় বছর পূর্বে সেতুর সংযোগ (অ্যাপ্রোচ) সড়ক ধসে পড়ে। এরপর স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে সেতু তৈরী করে পারাপার করছেন।
স্থানীয় সমাজকর্মী আমিনুল মামুন বলেন, ‘প্রায় দেড় বছর আগে সেতুর সংযোগ সড়ক ভেঙে পড়ে। যে কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছিল। পরে এলাকাবাসীর উদ্যোগে ভেঙে যাওয়া স্থানে বাঁশ এবং কাঠ দিয়ে বিকল্প সেতু তৈরী করা হয়। ঝুঁকি নিয়েই প্রতিনিয়ত ছোট ছোট যান চলাচল করছে।’ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে এ সড়ক দিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে পড়বে বলে জানান তিনি।
উপজেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়য়ে ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে ধোপাখালি খালের পর সেতুটি নির্মাণ করা হয়। কাজ পান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রায় কনস্ট্রাকশন।
জগন্নাথপুর উপজেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কর্মকর্তা (পিআইও) শাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া জানান, ক্ষতিগ্রস্ত স্থান দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আপনার মন্তব্য