নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ এপ্রিল, ২০২২ ২১:১৭

বছরের শেষ সূর্যকে বিদায়

দিনের আলো ফুরিয়েছে কিছুক্ষণ আগে। ফুরোতে যাচ্ছে আরেকটি বছর। শেষ হচ্ছে ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।

সেই বিদায়ের ক্ষণে সিলেট নগরের সুরমা নদীর তীরের চাঁদনী ঘাটে শিল্পীরা সমস্বরে গেয়ে উঠলেন- 'রাঙিয়ে দিয়ে যাও, যাও গো এবার যাবার আগে'। কেউবা আবার কবিতা ধরলেন- ‌'কিংবা নিশি অবসান, ওই পুরাতন বর্ষ হয় গত'। হলো নাচও।

গান, কবিতা আর নৃত্যে বিদেয় জানানো হলো ১৪২৮ সালকে।

বিদেয় নিতে যাওয়া বছরটির শেষক্ষণকে রাঙিয়ে তোলার এই আয়োজন করেছিলো সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেট। এতেই অংশ নিয়ে 'পুরতান বরষের সর্বশেষ গান' গেয়ে উঠলেন সিলেটের সংস্কৃতিকর্মীরা।

সম্মিলিত নাট্য পরিষদ প্রতিবছরই ঐতিহ্যবাহী চাঁদনীঘাটে বর্ষবিদায়ের আয়োজন করে। তবে করোনা সংক্রমণের কারণে গত দুবছর বন্ধ ছিলো এ আয়োজন। এবার করোনার প্রকোপ কমে আসায় আবার আয়োজন করে বিদায় জানানো হয় বছরের শেষ সূর্যকে।

এই আয়োজনে সিলেটের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশ নিয়ে গান নাচ ও আবৃত্তি পরিবেশন করে।

সাংস্কৃতিক এই আয়োজনের মাঝখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ভবতোষ রায় বর্মরন রানা, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আল আজাদ, সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ রেনু, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোকাদ্দেস বাবুল, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি সামসুল আলম সেলিম, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সহ-সভাপতি উজ্জ্বল দাস প্রমুখ।

সব শেষে আলোক প্রজ্জ্বলন করে আলো আর মঙ্গলের প্রত্যাশায় স্বাগত জানানো হয় নতুন বছরকে।

সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রজতকান্তি গুপ্ত বলেন, পহেলা বৈশাখের মতো চৈত্র সংক্রান্তির আয়োজনও আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। বাঙালির ঘরে ঘরে চৈত্র সংক্রান্তি ও বর্ষবরণের আয়োজন করা হয়। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায়ই আমরা বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকি। আসছে বছর যেনো সকলের জন্য কল্যান বয়ে আনে এই প্রত্যাশায় আলোক প্রজ্বল্লনের মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছি।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত