১৪ এপ্রিল, ২০২২ ১৩:১৪
বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ও সুনামগঞ্জের শাল্লায় বজ্রপাতে ৫ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় বানিয়াচংয়ে পৃথক স্থানে দুই শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিহত হন। অপরদিকে শাল্লায় সকাল ৭টায় বজ্রপাতে ২ জন নিহত হন।
বানিয়াচংয়ে নিহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলা সদরের তিন নম্বর দক্ষিণ-পূর্ব ইউনিয়নের তাতারী মহল্লার বাসিন্দা আক্কেল আলীর ছেলে হোসাইন আহমেদ (১২), একই মহল্লার আব্দুর রহমানের মেয়ে রুমা আক্তার (১২) ও খাগাউড়া ইউনিয়নের এড়ালিয়া গ্রামের সামছুল মিয়ার ছেলে আলমগীর মিয়া (২৬)।
স্থানীয়রা জানান, রুমা ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। সকাল ৭টার দিকে সে বাড়ির পাশের মাঠে লাকড়ি শুকাচ্ছিল। এসময় বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই মেয়েটির মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে সকালে হোসাইন আহমদ ও আলমগীর মিয়া নিজেদের এলাকার হাওরে কৃষি কাজ করছিলেন। পৃথক স্থানে দু’জন বজ্রপাতে আহত হলে স্থানীয়রা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এসময় দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদ্মাসন সিংহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিস্তারিত তথ্যের জন্য খোঁজ নেয়া হচ্ছে।
অপরদিকে শাল্লায় নিহতরা হলেন, উপজেলার নাছিরপুর গ্রামের বাবা মুকুল খাঁ (৫০) ছেলে মাসুদ খাঁর (৭)।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, মাসুদ খাঁ তার দুই ছেলে ও শ্যালকের পুত্রকে নিয়ে বাড়ির পাশে জমিতে ধান কাটতে যান। মাঠে কাজ করার সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনা স্থলেই মুকুল খাঁও তার ছেলে মাসুদ খাঁ মারা যান।
এ সময় বজ্রপাতে নিহত মুকুল খাঁর ছেলে রিমন খাঁ (১১) ও শ্যালক পুত্র তানভীর হোসেন(৭) আহত হওয়ায় চিকিৎসার জন্য দ্রুত হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা জেনাউর শাফি জানান সকালে কৃষি কাজ করার সময় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। আহত দুই শিশুকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য আমি আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেছি।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতের আঘাতে বাবা ছেলে মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, ঘটনাস্থলে আমাদের পুলিশ রয়েছে।
আপনার মন্তব্য