০৯ জুন, ২০২২ ২৩:১০
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় শশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে ছেলেকে হত্যা করার অভিযোগ করেছেন এক মা। মায়ের এমন অভিযোগে পাঁচ মাস পর আদালতের নির্দেশে ৯ জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নে বড়চেগ বিক্রমপুর কবরস্থান থেকে মৃতদেহ উত্তোলন করা হয়।
ভাদাইরদেউল গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মহব্বত উল্ল্যার পুত্র নজরুল ইসলামের (৩২) মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের উপস্থিতিতে উত্তোলনের পর মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
নিহত নজরুল ইসলামের ভাই বদরুল ইসলাম জানান, তার ভাইকে তার স্ত্রী ও শশুর বাড়ির লোকজন পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে। নিহত নজরুল ইসলাম কমলগঞ্জ উপজেলার আলিনগর ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের রঙ্গু মিয়ার কন্যা মশকুরা বেগমকে বিয়ে করেন। গত ২৭ জানুয়ারি নজরুল তার শশুর বাড়িতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যান। গত ১ ফ্রেব্রুয়ারি নজরুল ইসলামের শশুর বাড়ির লোকজন তার বাড়িতে খবর দেয় দাঁতের ব্যাথায় নজরুল ইসলাম মারা গেছে। নিহতের পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয় নজরুল ইসলামকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এমন অভিযোগ এনে গত ১৮ মে নিহতের মা নূরজাহান বেগম বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। কোনও ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দাফন করা হয়েছে এমন অভিযোগ করা হলে লাশ উত্তোলন করে ফের ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।
আদালেতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অর্ণব মালাকারের উপস্থিতিতে শমশেরনগর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মোশাররফ হোসেনসহ সঙ্গীয় ফোর্স লাশ উত্তোলন করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
শমশেরনগর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মোশাররফ হোসেন জানান, আদালতের নির্দেশনা পেয়ে নিহত নজরুল ইসলামের লাশ উত্তোলন করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আপনার মন্তব্য