১৬ জুন, ২০২২ ১৫:৫৪
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার চারটি জলমহালের কার্যক্রম স্থগিত করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব বিজন কুমার সিংহ বুধবার (১৫ জুন) উপজেলার চারটি জলমহালের কার্যক্রম স্থগিত করে তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন।
তদন্ত কমিটিতে রাখা হয় সুনামগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, আরডিসি সুনামগঞ্জ ও সার্ভেয়ার আজমল হোসেন এলএ শাকা কে।
জানা গেছে, গত ১৩ জুন জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলার জলমহালগুলো ইজারার সিদ্ধান্ত নেন।অভিযোগ উঠে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম ও ভূমি কার্যালয়ের সার্ভেয়ার মুহিবুর রহমান মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে নীতিমালা লঙ্ঘন করে জলমহাল বাণিজ্য করেছেন। কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মঙ্গলবার সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক বরাবরে ইউএনও সাজেদুল ইসলাম ও ভূমি কার্যালয়ের সার্ভেয়ার মুহিবুর রহমানের বিরুদ্ধে নীতিমালা লঙ্ঘন করে জলমহাল বাণিজ্য করেছেন বলে লিখিত অভিযোগ করেন।
এছাড়াও আরও কয়েকটি সমিতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলার চারটি জলমহালের কার্যক্রম স্থগিত ও তিনটির বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
স্থগিত হওয়া সমিতিগুলো হল নলজুর নদী ১ম খণ্ড,বড় ডহর ব্রাক্ষণ দাইড় ও হরতাজপুর জলমহাল। তারমধ্যে হরতাজপুর জলমহালের বিষয়ে কার্যক্রম স্থগিত করে রেজুলেশন পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়। অপর তিনটির বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক নীরেন্দ্র চন্দ্র দাস জানান, জলমহাল ইজারা কার্যক্রম স্থগিত হওয়ার আদেশের খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে তড়িঘড়ি করে খাজনা নেওয়ার প্রক্রিয়া দেখা যায়। আমি তদন্ত কমিটির মাধ্যমে ন্যায় বিচার পাব বলে আশা করছি।
উল্লেখ্য বুধবার গণমাধ্যমে জগন্নাথপুরের ইউএনওর বিরুদ্ধে জলমহাল বাণিজ্যের অভিযোগ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়।
আপনার মন্তব্য