৩০ ডিসেম্বর, ২০১৫ ১৫:৩৪
কুরশীদ আলীর বয়স আনুমানিক ৭০, হাঁটাচলা একেবারেই করতে পারেন না। ভোট দিতে এসেছিলেন সামসুল ইসলামের সহায়তায়। বড়লেখা পৌরসভার গাজীটেকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দিয়ে আনন্দিত তিনি। জানালেন এই বয়সেই নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করতে পেরে তিনি 'খুশি'।
অঞ্জলি চক্রবর্তীর বয়স ৭৫। তিনি পুত্র ও নাতনির সহয়তায় ভোট দিতে এসে আবেগতাড়িত কন্ঠে সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "এটা হয়তো আমার জীবনের শেষ ভোট তাই শরীরের কষ্ট সয়েও ভোট দিতে এলাম"।
ভোট দিতে এসেছিলেন প্রায় ৯০ ছুঁই ছুঁই এক নারী। তাঁকে কোলে করে ভোট দিতে এসেছেন তাঁর নাতী। তাঁর সাথে কথা বলা সম্ভব না হলেও পরিতৃপ্তির ভাব দেখা যাচ্ছিল চেহারায়।
বড়লেখা পৌরসভা নির্বাচনে বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) সারাদিন থেকেই বড় কোন সমস্যা ছাড়া ভোট গ্রহণ চলে। দুপুর ৩টায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৬০% এর বেশি ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
আপনার মন্তব্য