৩০ ডিসেম্বর, ২০১৫ ১৬:৩৮
সিলেটের বিশ্বনাথে সালমান আহমদ (১৭) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্র খুন হয়েছে। সে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার পূর্বগাঁও গ্রামের ছোটন মিয়ার ছেলে। নিহত সালমান প্রায় ৪বছর ধরে উপজেলা সদরের জামিয়া মাদানিয়া মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে থেকে ফজিলত প্রথম বর্ষে পড়ালেখা করে আসছিল।
এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রিন্সিপালের ছোট ভাই ও নিহত সালমানের সহপাঠী নাঈম আহমদকে (১৭) আটক করা হয়েছে। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় বিশ্বনাথ নতুন বাজারের মাদ্রাসার মুহতামিম (প্রিন্সিপাল) মাওলানা শিব্বির আহমদের বড় ভাই মাওলানা রশিদ আহমদের বাসার সামন থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে। উদ্ধারের পর দুপুরে ময়না তদন্তের জন্যে নিহতের লাশ সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে থানার ওসি মোঃ: আব্দুল হাই বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আটক নাঈমের কাছ থেকে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে শিগ্রই এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। সুরতহাল রিপোর্টে লাশের বুকের নিচের অংশে ধারালো অস্ত্রের একটি আঘাত রয়েছে বলে এসআই কল্লোল গোস্বামী জানিয়েছেন।
মাদ্রাসা সূত্রে জানাগেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতের খাবার শেষে সাড়ে ১০টায় ছাত্রবাস থেকে বাহির হয় সালমান। এসময় মোশাহিদুল ইসলাম নামের এক সহপাটিকে বলেছে, সকালে ফিরে এসে জানাবে কোথায় গিয়েছিল!। প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল সকালে গাড়ির চালক আবুল লেইছ চাবির জন্য প্রিন্সিপালের বড় ভাইয়ের বাসায় যান। বাসার সামনে সালমানের লাশ পড়ে থাকতে দেখে ভেতরে গিয়ে নাঈম আহমদকে বিষয়টি জানান। নাঈম আহমদ লাশটি তার ক্লাসমিটের বলে সনাক্ত করে। বিষয়টি ছাত্রাবাসের সুপার মোহাম্মদ ফখর উদ্দিনকে জানালে তিনি পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে সিলেটের দক্ষিণ সার্কেল (এএসপি) জিএম আবুল কালাম আজাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এরিপোর্ট লিখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
আপনার মন্তব্য