০২ ফেব্রুয়ারি , ২০১৬ ১৮:২২
ভেজাল মশলায় বানিয়াচংয়ের প্রতিটি হাট-বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। বাজারে দ্রব্যসামগ্রীর পাশাপাশি ভেজাল মেশানোর প্রতিযোগীতার সাথে সাথে এবার যুক্ত হয়েছে মশলায় ভেজাল মেশানোর তীব্র প্রতিযোগীতা। ভেজালের ছড়াছড়িতে আসল কোন জিনিসই খোঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
এক শ্রেণির অতিমুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের ভেজাল মেশানোর প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় আসল মশলা পেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এই সুযোগে ব্যবসায়ীরা দু’হাতে লুটে নিচ্ছে প্রচুর মুনাফা।স্থানীয় প্রশাসনের কোন প্রকার তৎপরতা না থাকায় দিনদিন বেড়ে চলেছে ভেজাল মিশ্রিত জিনিসের ভেজাল মশলার। ব্যবাসয়ীরা এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আসল মশলার নামে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রণ করে দোকানে দোকানে বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছে হরহামেশা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মশলা ব্যবসায়ী জানান,ঘাসের বীজ বা ছোট কাওন যা পাখীর খাবার হিসাবে ব্যবহৃত হয় তা ভেজাল মশলার উপকরণ। এই ঘাসের বীজ গুড়া করে ক্ষতিকর রং মেশানো হয়।লাল রং মেশালে মরিচের গুড়া লাল হয়ে যায়। হলুদ রং মেশালে হলুদের গুড়া আরও হলুদ হয়ে যায়। তার সাথে পঁচা কাঁচামরিচ শুকিয়ে তা গুড়া করে মেশালে হালকা ঝাল হয় আর আসল হলুদের গুড়ার সাথে তা মিশিয়ে বাজারে বিক্রি করা হয়।
ফলে কোনটা আসল আর কোনটা ভেজাল সেটা বুঝা যায়না।সাধারনত দুপুরের দিকে এমনকি গভীর রাতে মশলাতে রাসায়নিক রং মিশ্রণ করা হয় বলে একটি সুত্র নিশ্চিত করেছে।
এ বিষয়ে বানিয়াচং উপজেলার স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্র্মকর্তা মহিউদ্দিন আহমেদ জানান,এসব ভেজাল মশলা খাওয়ার কারণে ক্যান্সার,হৃদরোগ ও কিডনি রোগসহ বিভিন্ন ধরনের মারাত্মক রোগের সৃষ্টি হয়।
অচিরেই ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা উচিত বলে জানিয়েছেন বানিয়াচং ভোক্তা অধিকার পরিষদের সভাপতি সাহিবুর রহমান।
আপনার মন্তব্য