০৪ ফেব্রুয়ারি , ২০১৬ ২০:১৮
সিলেটের বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর সড়কের বাগিচা-কজাকাবাদ সড়কের ৭টি সরকারি গাছ কেটে নিলেন জামায়াত নেতা শামীম আহমদ। তিনি উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের সমশপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং উপজেলা ছাত্রশিবির ও ওই ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক সভাপতি।
প্রায় ২লাখ টাকা মূল্যের ৭টি বেলজিয়াম জাতীয় গাছের মধ্যে ইতিমধ্যে ৫টি কেটে নেওয়া হয়েছে, বাকি দুটি কেটে ফেলে রাখা হয়েছে নিচে। বুধবার বিকেলে ইউএনও’র নির্দেশে গাছ কাটা বন্ধও করায় বাকি দুটি নিতে পারেন নি।
ইউএনও মুহাম্মদ আসাদুল হক সরকারি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানলেও জামায়াত নেতা শামীম আহমদ দাবি করেছেন চুক্তি অনুযায়ী তিনি ওই গাছ কেটেছেন। তিনি বলেন, ২০০০ সালে ওই সড়ক এলজিইডির আওতায় ছিল না। ফলে তখনকার সময়ে দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি লিখিত চুক্তির মাধ্যমে ইসলামী পাঠাগার ও সমাজ কল্যাণ পরিষদ নামে ওই সড়কে গাছ লাগান। চুক্তি অনুযায়ী বর্তমান চেয়ারম্যান তাহিদ মিয়ার নিকট থেকে মৌখিকভাবে অনুমতি নিয়েই তিনি ওই গাছগুলো কাটছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, মঙ্গলবার থেকে এলজিইডির অধীনস্থ ওই সড়কে গাছ কাটছেন ওসমানীনগর উপজেলার পারকুল গ্রামের মৃত আরিফ উল্লার ছেলে (ঠিকাদার) সাইফুর রহমান। ইতি মধ্যে তিনি ৫টি গাছ কেটে দিয়েছেন। পরে উপজেলা প্রশাসন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই গাছ কাটা পক্রিয়া বন্ধ করে দেন। গাছ কাটার ঠিকাদার স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, ১৫হাজার টাকায় তিনি কাছ কাটার ঠিকাদারি নিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাহিদ মিয়া বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান জগলু চৌধুরীর সঙ্গে চুক্তি ছিল। সে অনুযায়ী তিনিও (তাহিদ মিয়া) শামীম আহমদকে অনুমতি দিয়েছেন।
আপনার মন্তব্য