১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০০:০৫
ফ্রান্স প্রবাসী নাজিম উদ্দিন তিন বছর আগে পারিবারিকভাবে ভিডিও কনফারেন্সে বিয়ে করেন তানজিলা আক্তার ছামিয়াকে। পরে ছামিয়াকে ফ্রান্সে পাঠাতে নাজিম উদ্দিনের কাছ থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা নেন শাশুড়ি, শ্যালক ও খালা শাশুড়ি। স্ত্রী তানজিলা আক্তার ছামিয়াকে নিজের টাকায় ফ্রান্সে নিয়ে কিছুদিন ঘর-সংসার করার পর নিজাম উদ্দিন জানতে পারেন তানজিলা আরেক প্রবাসীর স্ত্রী।
ওই প্রবাসী (তারেক আহমদ) ও তার মা-ভাইয়ের প্ররোচনায় তানজিলা বৈধ স্বামী নিজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে ফ্রান্সে মিথ্যা মামলা করে তাকে ছয় মাস জেল খাটিয়েছেন। এর মধ্যে তানজিলা আক্তার ছামিয়া পালিয়ে যান।
ফ্রান্স প্রবাসী নাজিম উদ্দিন মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলঅর পূর্ব হাতলিয়া গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে এবং তানজিলা আক্তার ছামিয়া পৌরসভার হাটবন্দ এলাকার মৃত তছির আলীর মেয়ে।
নিঃস্ব ফ্রান্স প্রবাসীর মা রানিয়া বেগম প্রতারণা করে ছেলের কাছ থেকে নেওয়া টাকা ফেরত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে গত ৩ সেপ্টেম্বর নিজাম উদ্দিনের শাশুড়ি আমিনা বেগম, শ্যালক তামিম আহমদ ও খালা শাশুড়ি তানিসা জান্নাত ইবাকে আসামি করে বড়লেখা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছেন। আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে মৌলভীবাজার পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে বুধবার রাতে ফ্রান্স প্রবাসী নিজাম উদ্দিনের বাবা খলিলুর রহমান সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
এ ব্যাপারে আসামি আমিনা বেগম, তামিম আহমদ ও তানিসা জান্নাত ইবা বলেন, নাজিম উদ্দিন তার স্ত্রীকে লন্ডন পাঠানোর খরচ বাবদ টাকা দিয়েছে। সে লন্ডন থেকে তার স্ত্রীকে ফ্রান্সে নিয়েও গেছে। এর পরের ঘটনার দায় তাদের নয়। যেহেতু আমাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, আদালতই ফয়সালা দেবেন।
আপনার মন্তব্য