১৪ ফেব্রুয়ারি , ২০১৬ ১৯:৩৮
পরিবারের অমতে পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন আব্বাস আলীর ও তাহমিনা আক্তার হেপি। পরষ্পরকে ভালোবেসে গত ২৮ জানুয়ারি নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করেন তারা।
তাহমিনার পিতা আলতাব মিয়া মেনে নিতে পারেন নি এই বিয়ে। গত ১ ফেব্রুয়ারি সিলেট কোতোয়ালি থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন তিনি। মামলায় আব্বাস আলীসহ ৪ জনকে আসামী করা হয়।
রোববার আদালতে আত্মসমর্পন করতে আসেন আব্বাস-তাহমিনা দম্পতি। তবে হাজির দেওয়ার আগেই আদালত চত্বর থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে পড়েন আব্বাস। আব্বাসের পরিবারের অভিযোগ তাকে অপহরণ করেছে বাদীপক্ষের লোকজন।
আব্বাস আলী (২৩) সিলেটের জালালাবাদ থানার কান্দিগাঁও সুজাতপুরের মতিউর রহমান মতির পুত্র। আর তাহমিনা আক্তার হোপি (২০) সিলেটের বিশ্বনাথ থানার বাওনপুরের আলতাব মিয়ার মেয়ে। । তিনি সিলেট এমসি কলেজের শিক্ষার্থী।
আব্বাস আলীর আত্মীয় রাসেল আহমদ অভিযোগ করেন, রোববার সকালে সিলেট জেলা বারের ২নং হলের সামন থেকে ইদ্রিসকে অপহরণ করা হয়। এব্যাপরে সংশ্লিষ্ট আদালতে অভিযোগ দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ইদ্রিস আলীর আইনজীবী এডভোকেট সাইফুল ইসলাম তালুকদার সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বাদীপক্ষ তাহমিনা আক্তার হোপিকে আদালত থেকে জোর করে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলো। তার চিৎকার শুনে আমরা ঘটনাস্থলে চলে যাওয়ায় এটা সম্ভব হয়নি। তবে এই হুলুস্থুলের সময় হঠাৎ ইদ্রিস আলী নিখোঁজ হয়ে পড়েন। তাকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার।
তিনি বলেন, পরে তাহমিনা সিলেট মেট্রোপলিটন ২ আদালতে জবানবন্দী প্রদান করেছেন। আদালত তাকে সেইফ কাস্টরিতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
আপনার মন্তব্য