০৭ মে, ২০২৬ ১৬:০২
আকস্মিক কালবৈশাখি ঝড়ের তান্ডবে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ ও রাজনগর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। শতাধিক ঘর বিধ্বস্ত, ৬টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙ্গে শতাধিক স্থানে তার ছিড়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে। হাজারো গাছগাছালি ভেঙ্গে ও উপড়ে পড়েছে।
গত বুধবার (৬ মে) রাত ৮টায় কালবৈশাখি ঝড়ে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়।
সরেজমিনে জানা যায়, কালবৈশাখি ঝড়ের তান্ডবে কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ও মুন্সিবাজার ইউনিয়ন, রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যায়। ঝড়ে এসব ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে প্রায় শতাধিক ঘর সম্পূর্ণ এবং আরো প্রায় দেড় শত ঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। হাজারো গাছগাছালি উপড়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ লাইনের উপর গাছ পড়ে ৬টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙ্গে পড়েছে এবং প্রায় দেড় শতাধিক স্থানে তার ছিড়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা লন্ডভন্ড হয়েছে। এসব এলাকায় বুধবার কালবৈশাখি ঝড়ের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েক হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছেন।
পতনউষার ইউপি সদস্য তোয়াবুর রহমান সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কালবৈশাখি ঝড়ে বেশকিছু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকের টিনের চালা উড়ে গেছে। অসংখ্য গাছগাছালি ভেঙ্গে ও উপড়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ লাইনেরও ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। ঝড়ের পর থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছেন গ্রাহকরা। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কমলগঞ্জ জোনালের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, কালবৈশাখি ঝড়ে মুন্সিবাজার ও পতনঊষার এলাকায় গাছগাছালি পড়ে ৬টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙ্গে পড়েছে। এছাড়া প্রায় দেড় শতাধিক স্থানে বিদ্যুৎ লাইন ছিড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা মেরামতে বাড়তি লোক নিয়োগ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, কালবৈশাখি ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে চেয়ারম্যানদের সাথে কথা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।
আপনার মন্তব্য