২৫ ফেব্রুয়ারি , ২০১৫ ২২:৫৯
তাহিরপুরে এক মাদক ব্যাবসায়ীকে মদ সহ আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করেছে থানা পুলিশ এ ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে একটি মহল।
স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে তাহিরপুর থানার বাদাঘাট পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই শরিফ হোসেন গোপন সংবাদের বিত্তিতে উপজেলার পাঠানপাড়া গ্রামের নাজ শিকদারের ছেলে এলাকার চিহ্নিত বখাটে মাদক ব্যাবসায়ী জুলহাস মিয়া (৩২) কে ৫ বোতল ভারতীয় অফিসার্স চয়েজ মদ সহ আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করেন। এ ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তাহিরপুর উপজেলার চিহ্নিত কয়েকজন হলুদ সাংবাদিক ঘটনার তিন চার দিন পর বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় একটি ভূয়া মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে যার সঙ্গে এ ঘটনার কোন সম্পর্ক নেই।
সংবাদে উপজেলার কামড়াবন্দ গ্রামের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী হাজী বৈদ মিয়া শাহ্’র দুই ছেলে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হাবিব সরোয়ার আজাদ ও তার ছোট ভাই দৈনিক ভোরের কাগজের তাহিরপুর প্রতিনিধি সাজ্জাদ হোসেন শাহ্’র নামে রূপ কথার গল্পের মত মিথ্যা বানোয়াট ও ভুয়া সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে, যার কোন ভিত্তি খোঁজে পাওয়া যায়নী।
বাদাঘাট পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই শরিফ হোসেন জানিয়েছেন, জুলহাস মিয়াকে মদ সহ এলাকাবাসীর সামনে গ্রেপ্তার করেছি তখনই সে তাঁর ভাগিনা কামড়াবন্দ গ্রামের কৃষক আঃ রাজ্জাকের ছেলে সাংবাদিক কামালের পরিচয় দিয়েছিল তাকে ছেড়ে দেয়ার জন্য, তা না হলে তাঁর ভাগিনা তাদেরকে দেখে নেবে। পরদিন সকালে সাংবাদিক কামাল বিভিন্ন নাম্বার থেকে আমাকে ফোন করে তদবিরও করেছিল জুলহাসকে ছেড়ে দেয়ার জন্য, তাছাড়া ঘটনা সময় ছিল ১৯ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার রাত, সংবাদে কোথাও লিখা হয়েছে শুক্রবার, আবার কোথাও রোববার।
মোটরসাইকেল চালক পাঠানপাড়া গ্রামের সেমানুর জানিয়েছে, আমার কোন মোটরসাইকেল নেই, আমি একটি মোটরসাইকেল ভাড়ায় চালাই, সেটি কেউ আটক করেনী।
তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল্লাহ্ জুলহাসকে মদ সহ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, বাদাঘাট পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই শরিফ হোসেন বাদী হয়ে ১৯৯০ মাদক আইনে জুলহাসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে, এখানে অন্য কারো কোন সম্পৃকততা নেই, কেউ যদি এটি নিয়ে কল্প কাহিনী লিখে তাতে কান না দেয়ার জন্য আহ্বান করছি।
আপনার মন্তব্য