সিলেটটুডে ডেস্ক

০৬ মার্চ, ২০১৫ ০৮:৫৯

ধোপাদিঘীর পাড়ে হোটেল কর্মচারীর লাশ উদ্ধার

নগরীর ধোপাদিঘীর পাড় সানফ্লাওয়ার আবাসিক হোটেল থেকে পা বাধা অবস্থায় তেরা মিয়া (৩৪) নামে ওই হোটেল কর্মচারীর বিবস্ত্র লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নগরীর ধোপাদিঘীর পাড় সানফ্লাওয়ার আবাসিক হোটেল থেকে পা বাধা অবস্থায় তেরা মিয়া (৩৪) নামে ওই হোটেল কর্মচারীর বিবস্ত্র লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার ( ৫ মার্চ ) রাত পৌনে ১২টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত তেরা মিয়া (৩৪) সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার জারারকোনা গ্রামের মৃত জলিল মিয়ার ছেলে।
কোতোয়ালি থানার বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে হোটেলের একটি কক্ষে লাশ দেখতে পেয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পা বাধা অবস্থায় তেরা মিয়ার লাশ উদ্ধার করে।

হোটেলের ম্যানেজার লোকমান মিয়ার দাবি- তেরা মিয়া ইলেক্ট্রিক মোটরের সুইচ দিতে  গিয়ে বিদ্যুৎ তাড়িত হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে স্থানীয় ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলেও জানান তিনি।তবে নিহতের স্বজনদের দাবি- তেরা মিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। তেরা মিয়ার পা বাধা ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

নিহতের বড় বোন আম্বিয়া বেগম   জানান,  হোটেলের একটি কক্ষে এক চাদরে মোড়ানো বিবস্ত্র লাশ রাখা দেখতে পান তারা। তার ভাই বৈদ্যুতিক শার্ট সার্কিটে মারা যাননি। তাকে হত্যা করে হয়ে থাকতে পারে ।
তেরা মিয়ার চাচাতো ভাই মাজহারুল ইসলাম  বলেন, এত কিছু হলেও হোটেল কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে কোনো খবর দেয়নি। আত্মীয়-স্বজন ও পুলিশকে না জানিয়ে নিজেদের তত্ত্বাবধানে তারা লাশ দাফনের প্রস্তুতিও নিচ্ছিল।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ সঠিক নয় মন্তব্য করে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান  বলেন, বিদ্যু‍ৎ তাড়িত হয়ে লোকটি মারা গেছেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত