তপন কুমার দাস

১৭ মার্চ, ২০১৫ ১৩:৪৩

বড়লেখায় ৭ মিনিটের রহস্যময় লোডশেডিং, ৩ মিনিটের বাস পুড়ানোর অপারেশন

বাস পুড়ানোর কয়েক মিনিট পূর্বে বিদ্যূৎ চলে যাওয়া এবং দুর্বৃত্তরা অপারেশন শেষ করে নিরাপদে সরে যাওয়ার পাঁচ মিনিট পর বিদ্যুৎ ফিরে আসা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) রাতে মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌর শহরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে (সিলেট জ-১১-০৮১৮) হরতাল ও অবরোধকারীরা পেট্রোল ছিটিয়ে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দিয়েছে। এ সময় বাসের ভিতর থাকা দুই হেলপার বের হওয়ার সময় অগ্নিদ্বগ্ধ হয়েছেন। বাস পুড়ানোর কয়েক মিনিট পূর্বে বিদ্যূৎ চলে যাওয়া এবং দুর্বৃত্তরা অপারেশন শেষ করে নিরাপদে সরে যাওয়ার পাঁচ মিনিট পর বিদ্যুৎ ফিরে আসা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।   

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সুত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত আনুমানিক এগারটায়  পৌর শহরে বিদ্যুৎ চলে যায়। বিদ্যুৎ চলে যাবার আনুমানিক ৩ মিনিটের মধ্যে বড়লেখা পৌর শহরের দক্ষিণ বাজার এলাকার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পাশে পার্কিং করা বাসে অবরোধ সমর্থক র্দূবৃত্তরা পেট্রোল ছিটিয়ে অগ্নিসংযোগ করে পালিয়ে যায়। আগুন দিয়ে তারা পালিয়ে যাবার ৫ মিনিটের মধ্যে পুনরায় বিদ্যুৎ চলে আসে। এ সময় বাসের ভিতর থাকা দুই হেলপার আবুল হোসেন (২৫) ও মাছুম আহমদ (২৭) বের হওয়ার সময় তাদের শরীরের কিছু অংশ আগুনে পুড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন আহত দুই হেলপারকে উদ্ধার করে বড়লেখা স্বাস্থ্য কমপেক্সে ভর্তি করেন।  
খবর পেয়ে বড়লেখা দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার আগে বাসটি পুড়ে ভূষ্মিভুত হয়ে যায়। পুড়ে যাওয়া বাসটি বড়লেখা-সিলেট সড়কে যাত্রী পরিবহন করে এবং বাসটি সিলেট কদমতলী ষ্ট্যান্ডের বলে জানা গেছে।
বডলেখা থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, হরতাল-অবরোধকারীরা এ অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে বড়লেখা পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম নীল মাধব বণিক বিদ্যুতের যাওয়া আসার সঠিক কারন বলতে পারেননি।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত