নিজস্ব প্রতিবেদক

২৮ জুন, ২০১৬ ০২:৫৫

প্রেমের বিরোধে জালাল হত্যা, চার মাস আগে পরিকল্পনা

প্রেমসংক্রান্ত বিরোধের কারণে দর্জি জালালকে চার মাস আগে হত্যার পরিকল্পনা করে ঘাতকরা। ছক অনুযায়ী ২৩ জুন রাতে তারা তাকে হত্যা করে।

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় দর্জি আখলিছুর রহমান জালাল (২৭) হত্যা মামলায় এভাকেই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে দুই শিক্ষার্থী। দক্ষিণ সুরমার নাজিরবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র  বাবলু (১৬) এবং  বিশ্বনাথ ডিগ্রী কলেজের স্নাতক শ্রেণীর ছাত্র শিপন (১৮) আদালতে জবানবন্দি প্রদান করে।

হত্যার ঘটনায় সোমবার বিকালে তারা  সিলেটের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তহুরা খাতুনের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়।

এছাড়া, আটক অপর আসামী দোকান কর্মচারী নছিরকে ৪ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিন আসামীর বাড়িই তাজ মহররম গ্রামে।

স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (সদর দক্ষিণ) জেদান আল মুসা জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী  ২৩ জুন তারা জালালকে মোবাইল ফোনে ডেকে নেয়। এরপর তারা বাঁশ দিয়ে আঘাত করে জালালকে মাটিতে ফেলে দেয়। এক পর্যায়ে দোকান কর্মচারী নছির ছুরি দিয়ে গলাকেটে তাকে হত্যা করে। তিনি জানান, মোবাইল ফোনের কললিস্টের সূত্র ধরে পুলিশ রোববার বিকালে তিন আসামীকে আটক করে।

গত ২৩ জুন দিবাগত রাতে বিশ্বনাথ উপজেলার তাজমহরম গ্রামের সীমান্তবর্তী (দক্ষিণ সুরমা উপজেলাধীন) এলাকায় খুন হন দর্জি আখলিছুর রহমান জালাল (২৭)। তিনি বিশ্বনাথ উপজেলার তাজমহরম গ্রামের মৃত হাজী সমশের আলীর পুত্র। সিলেট নগরীর শুকরিয়া মার্কেটের নাহিদ টেইলার্সের দর্জি ছিলেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই হেলাল আহমদ বাদী হয়ে দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ তিন আসামীকে গ্রেফতার করে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত