বড়লেখা প্রতিনিধি

১৮ মার্চ, ২০১৫ ১৫:২৯

মাধবকুণ্ডে ঐতিহ্যবাহী বারুনী স্নান ও মেলায় পূণ্যার্থীদের ঢল

শোঁ শোঁ গতিতে পাথুরে পাহাড়ের চূড়া থেকে ২০০ ফুট নিচে জলধারা গড়িয়ে পড়ছে। পর্যটকেরা অর্ধ চন্দ্রাকৃতির মতো জড়ো হয়ে প্রকৃতির নয়নাবিরাম দৃশ্য উপভোগ করছেন। সবাই হৈ-হুলোড়ে মেতে উঠছেন। কেউবা জলধারার নিচে পূণ্যস্নান করছেন। দেশের বৃহত্তম প্রাকৃতিক জলপ্রপাত মাধবকুন্ডের দৃশ্য এটি। প্রতিবারের ন্যায় এবারও ১৮ ই র্মাচ ৩ই চৈত্র বুধবার বারুনী স্নান ও মেলায় হাজার হাজার পূণ্যার্থীদের ঢল নামে।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাধবকুন্ডে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। বাস, মাইক্রোবাস, ব্যক্তিগত কার এমনকি ট্রাকে করে পর্যটকরা এসেছেন। প্রতি বছর বাংলা মধু কৃষ্ণা ত্রোয়দশীতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য মন্ডিত জলপ্রপাত ও পর্যটন স্পটে ঐতিহ্যবাহী বারুনী স্নানে আসেন হাজার হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। অনেকেই কুণ্ডে স্নান শেষে কুপের কিছু পানি সাথে নিয়ে যান- এ পানি পান করলে রোগ মুক্তি এ আশায়। স্নান শেষে মাধবেশ্বর মন্দিরে আগতরা নিজের মনবাসনা পূর্ণের জন্য পূজা দিয়ে যান। বারুনী স্নান উপলক্ষে এ দিন জলপ্রপাত এলাকায় বসে বারুনী মেলা। মেলায় দেশীও তৈরির জিনিস পত্রের সমারোহে জমঝমাট হয়ে উঠে। মাধবকুন্ডের পরিচালনা কমিটি ও প্রশাসনের যৌথ তৎপরতায় কু-ের চূড়ায় কেউ উঠতে পারেনি তাই এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত ঘটেনি কোন অপৃতিকর ঘটনা। বারুনী স্নান ও মেলায় প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগম ঘটেছে বলে বন বিভাগ সূত্র জানায়।

বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মনিরুজ্জামান জানান, বারুনী স্নানে বিভিন্ন স্থান থেকে প্রচুর গাড়ী আসায় যানযট সরাতে পুলিশকে হিমসিম খেতে হয়েছে। তবে পুলিশ প্রশাসনের কঠোর সতর্কতার কারনে কোন ধরনের অপৃতিকর ঘটনা ঘটেনি।

 

 

আপনার মন্তব্য

আলোচিত