সিলেটটুডে ডেস্ক

১৮ জুলাই, ২০১৬ ০১:৩৪

হবিগঞ্জের বাল্লায় নির্মিত হচ্ছে নতুন স্থলবন্দর

নতুন স্থলবন্দর নির্মাণ করা হবে হবিগঞ্জের বাল্লায়। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি ও রফতানির জন্য অবকাঠামোগত প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি স্টোরেজ ও পার্কিং সুবিধাদির জন্য হবিগঞ্জের বাল্লা শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দরে উন্নীত করা হবে।

‘বাল্লা স্থলবন্দর উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ। এতে মোট ব্যয় করা হবে ৬০ কোটি টাকা। চলতি সময় থেকে জুন ২০১৯ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (বাস্থবক)।

হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা শুল্ক স্টেশন। জেলার সীমান্তে এই শুল্ক স্টেশনটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫১ সালে। স্থাপনের পর এই শুল্ক স্টেশনটিকে স্থলবন্দরে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও নানা কারণে তা চূড়ান্ত রূপ পায়নি। এবার বাল্লাকে স্থলবন্তরে উন্নীতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন স্থলবন্দর নির্মানে ৬০ কোটি টাকা খরচ করা হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৪ হাজার ৯৫ কিলোমিটার, মায়ানমারের ২৫৬ কিলোমিটার এবং ৫৮০ কিলোমিটার উপকূলবর্তী সীমারেখা আছে। নিয়মিত ট্যুরিস্ট প্যাসেঞ্জার মুভমেন্টের মাধ্যমে প্রতিদিন ল্যান্ড কাস্টম স্টেশনগুলোর মাধ্যমে পণ্য আমদানি-রফতানি করা হয়ে থাকে। বাল্লা কাস্টম স্টেশনটি সরকার বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের অধীনে ২০১৬ সালে ল্যান্ডপোর্ট হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

প্রকল্পের আওতায় ৫ হাজার ৫৮২ দশমিক ৮৭ বর্গমিটার কার্যালয় অফিস ভবন নির্মাণ, চারটি কম্পিউটার, দুটি ল্যাপটপসহ ফার্নিচার কেনা হবে।

ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সহকারী প্রধান মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মিয়া বলেন, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (বাস্থবক) প্রকল্পের প্রস্তাবনা ভৌত অবকাঠামো বিভাগে পাঠিয়েছেন। আমাদের পক্ষ থেকে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) যাচাই-বাছাই করছি। পরিকল্পন‍া কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একনেক প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হবে।

হবিগঞ্জ সীমান্তের বাল্লা শুল্ক স্টেশনটি ১৯৫১ সালে ৪ দশমিক ৩৭ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত