২২ জুলাই, ২০১৬ ২১:১৫
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত কাতার প্রবাসী সহিদ মিয়ার অবস্থা এখনও আশংকাজনক। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি পূর্ণ বিশ্রামে রয়েছেন। ছুটিতে দেশে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত এ প্রবাসীর এখন বিদেশ প্রত্যাগমন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এ ঘটনায় সহিদ মিয়া বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের গিয়াস উদ্দিন, আব্দুল মালিক, ইয়াছিন মিয়া, মোহাম্মদ আলী, আব্দুল হাসিম, আব্দুল আজিজসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ ও ৪/৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বড়লেখা থানায় (২১ জুলাই) বৃহস্পতিবার মামলা দায়ের করেছেন।
থানায় দায়ের করা মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের ভোলারকান্দি গ্রামের মৃত রইব আলীর ছেলে কাতার প্রবাসী সহিদ মিয়ার সাথে মামলার আসামীদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল।
এরই জের ধরে গত (৮ জুলাই) সন্ধ্যার পর ভোলারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকার রাস্তায় পেয়ে গিয়াস মিয়ার নেতৃত্বে সহিদ মিয়াকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন প্রতিপক্ষের লোকজন। হামলার সময় আসামীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সহিদের গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করতে পোঁচ দেয়। এতে সহিদ মিয়ার গলায় মারাতœক জখম হয়।
এসময় প্রবাসী সহিদের চাচাতো ভাই সাহেদ মিয়া তাকে রক্ষায় এগিয়ে গেলে সাহেদকেও তারা ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে। প্রতিপক্ষের হামলায় মারাত্মক আহত প্রবাসী সহিদ মিয়া ও সাহেদ মিয়াকে স্থানীয়রা প্রথমে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত প্রবাসী সহিদ মিয়া বলেন, ‘আসামীদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাদের পূর্ব বিরোধ চলছিল। তারা হত্যার উদ্দেশ্যে আমার উপর হামলা চালায়। এখনও আমার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। বিদেশ যেতে পারবো কিনা এখনও অনিশ্চয়তায় রয়েছি।
বড়লেখা থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দেবাশীষ সূত্রধর মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
আপনার মন্তব্য