পান্না দত্ত, মৌলভীবাজার

২৪ মার্চ, ২০১৫ ২০:৫৮

আতঙ্ক সৃষ্টিকারীদের রেহাই নেই: মৌলভীবাজারে সমাজকল্যাণমন্ত্রী

যারা হরতাল-অবরোধের নামে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে তাদের রেহাই নাই। তাদেরকে শাস্তির মুখোমুখি আমরা করছি। তাদেরকে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনবো এই হচ্ছে আমাদের অঙ্গীকার।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নেহেরু সাম্য সম্মাননা ২০১৪ ও আচার্য দীনেশ চন্দ্র সেন স্মৃতি স্বর্ণপদক ২০১৪ পাওয়া উপলক্ষে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আওয়ামী লীগ এক সংবর্ধনার আয়োজন করে।

জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোহাম্মদ ফিরোজের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মসুদ আহমদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রণধীর কুমার দেব, রাজনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আছকির খান, কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আ স ম কামরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুর রহমান বাবুল, আব্দুল মতিন, সৈয়দ নওশের আলী, সৈয়দা জহুরা আলাউদ্দিন, আব্দুল মুমিন তরফদার, শিক্ষক নেতা আব্দুল বাছিত, নিহির কান্তি দেব প্রমুখ।

এর আগে মানপত্র পাঠ করেন সৈয়দ মনসুর আহমদ সুমেল। এ ছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে ক্রেস্ট ও ফুলের তোড়া প্রদান করা হয়।

সৈয়দ মহসিন আলী জেলা আওয়ামী লীগের নিষ্ক্রিয়তার জন্য জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দায়ী করে বলেন, মৌলভীবাজারে জেলা আওয়ামী লীগ মৃত। গত আট বছর ধরে কোনো মিটিং ডাকা হয়নি। আমার বহু কষ্টের গড়া সংগঠনকে ধংস করা হচ্ছে। অনেক ধৈর্য ধরেছি। আওয়ামী লীগকে বিক্রি করে প্রশাসনকে লাল কার্ড দেখিয়ে নিজেদের পকেট ভারী করা হয়েছে। আর সহ্য করা হবে না।’

তিনি সভাপতি-সম্পাদককে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘৭২ ঘন্টার মধ্যে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পন করতে হবে। আর না হলে রাস্থা ঘাটে দুরমুছ করা হবে। আওয়ামী লীগকে বিক্রি করে যা ইচ্ছা তাই করবে। তা সহ্য করা হবে না। ৭২ ঘন্টা পর আব্দুস শহীদকে (সাবেক চিফ হুইপ ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি) শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জে থাকতে দেওয়া হবে না। এক মাসের মধ্যে তিনি জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন করার ঘোষনাও দেন মন্ত্রী।’

সৈয়দ মহসীন আলী তাঁর বক্তব্যের শুরুতে ভারতের জাতীয় পতাকা খচিত নেহেরু সাম্য সম্মাননা পদকের কথা উল্লেখ করে ‘এ মণিহার আমায় নাহি সাজে...’ রবীন্দ্র সঙ্গীতটি গেয়ে শোনান এবং এই পদকটি তিনি মুক্তিযোদ্ধাসহ দেশবাসীর প্রতি উৎসর্গ করেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত