নিজস্ব প্রতিবেদক

০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৭:২১

জালনোট সনাক্তকরনে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩০ টি মেশিন বিতরণ

আসন্ন কোরবানির পশুর হাটে বিনা খরচে জনসাধারণকে জাল নোট সনাক্তকরণে সহায়তা প্রদানের জন্য বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট-এর কার্যালয়ে জালনোট সনাক্তকরণ মেশিন বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট এর মহাব্যবস্থাপক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, বিশ্বের অন্যান্য সব দেশের মতো বাংলাদেশেও জালনোট একটি বড় সমস্যা যা দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর এবং সাধারণ জনগণের ভোগান্তির কারণ। দেশে জাল টাকার প্রচলন দিন দিন বেড়েই চলেছে। জাল টাকার প্রচলনকারী প্রতারক চক্র থেকে রেহাই পেতে সনাক্তকরণ মেশিন পদ্ধতির মাধ্যমে কিছুটা হলেও উপকার আসবে। আর যাতে কোন মানুষ প্রতারণার শিকার না হন সে ব্যাপারে সকলকে সচেতন হতে হবে।

তিনি আরো বলেন, দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার স্বার্থে জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সকলকে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

কোরবানির পশুর হাটে জালনোট প্রতিরোধের লক্ষ্যে সিলেট বিভাগে বিতরণের জন্য উপ মহাপুলিশ পরিদর্শক এর প্রতিনিধির নিকট ২৫টি ও এসএমপি কমিশনারের প্রতিনিধির নিকট ৫টি জালনোট সনাক্তকরণ মেশিন বিতরণকালে মহাব্যবস্থাপক মো. সিরাজুল ইসলাম এ কথাগুলো বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ডিআইজি এর পক্ষে বাংলাদেশ পুলিশ, সিলেট রেঞ্জ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামান এবং এসএমপি কমিশনারের পক্ষে সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ, সিলেট এর সাব ইন্সপেক্টর ওমর সানি রাসেল, বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট এর উপ-মহাব্যবস্থাপক (ব্যাংকিং) বিনয় ভূষণ দাশ, যুগ্ম ব্যবস্থাপক (কোরেন্সী) মো. আতিকুর রহমান, যুগ্ম পরিচালক (ডিবিআই) মো. জাবেদ আহমদ, উপব্যবস্থাপক প্রসূন কান্তি সামন্ত, সুব্রত সেনাপতি প্রমুখ।

উল্লেখ্য, সিলেট বিভাগের উপজেলা পর্যায়ে কোরবানির পশুর হাটে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় ব্যাংকসমুহের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে জালনোট সনাক্তকরণ মেশিনের সাহায্যে জনগণকে সহায়তা প্রদান করবে। তাঁদের কার্যক্রম মনিটরিং এর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট এর ১৬টি টিম কাজ করবে এবং একটি কন্ট্রোলরুম বাংলাদেশ ব্যাংকে খোলা থাকবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত