১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:৩৩
সিলেট নগরীতে সরকারী ব্যবস্থাপনায় গড়ে ওঠা আবাসিক এলাকা শাহজালাল উপশহর ও হাউজিং এস্টেটট। তবে আবাসিক এলাকার শর্ত ভঙ্গ করে এই দুই জায়গায়ই গড়ে ওঠেছে অসংখ্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
দীর্ঘদিন ধরে এসব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বিঘ্নে ব্যবসা করে আসলেও সম্প্রতি কঠোর হয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। উপশহর ও হাউজিং এস্টেটে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো ছয় মাসের মধ্যে অপসারণের জন্য নোটিশ দিয়েছে সিসিক। এছাড়া চলতি বছর থেকে উপশহর ও হাউজিং এস্টেটের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ট্রেড লাইসেন্স দেয়াও বন্ধ করে দিয়েছে সিসিক।
সিসিক সূত্রে জানা যায়, হাউজিং এস্টেট আবাসিক এলাকায় ৮৯ টি ও শাহজালাল উপশহর ১৭৪ টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসকল প্রতিষ্ঠানকে আগামী ৬ মাসের মধ্যে আবাসিক এলাকা ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হচ্ছে।
সিলেট সিটি করপোরেশেনর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীব সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, নগরীর ৪ নং ওয়ার্ডের হাউজিং এস্টেটে ৮৯ ও ২২ নং ওয়ার্ডের উপশহরে ১৭৪ টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এরমধ্যে ৬০টি প্রতিষ্ঠানকে ইতিমধ্যে নোটিশ দেয়া হয়েছে। বাকীদেরও নোটিশ দেওয়া হবে। আবাসিক এলাকা থেকে ব্যবসা সরিয়ে নিতে তাদের ছয় মাস সময় দেয়া হয়েছে।"
তিনি বলেন, প্রায় দুইমাস থেকে নোটিশ প্রদান কার্যক্রম চলছে, পর্যায়ক্রমে অন্যদেরও নোটিশ দেয়া হবে। তবে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দোকান, যেমন- মুদি দোকান, সেলুন, ফার্মেসি ইত্যাদির ব্যাপারে কিছু নমনীয়তা থাকবে।
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের আবাসিক এলাকায় সিসেকের নোটিশ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ উপশহর আবাসিক এলাকা গড়ে তোলেছিলো। তারা বাসা বিক্রি, হস্তান্তরসহ ভবন নির্মাণের অনুমতি দিয়ে থাকে। আয়ের টাকাও নেয় তারা, তবে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ করি আমরা। উপশহরে রাস্তা নির্মানসহ সব উন্নয়ন কাজ সিলেট সিটি কর্পোরেশন করে থাকে। এ বিষয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশন হাউজিং অথরিটিকে একাধিক বার চিঠি দিয়েছে বলেও জানান তিনি।
গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে চলতি বছর থেকে উপশহর ও হাউজিং এস্টেটের আবাসিক এলাকায় গড়ে উঠা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সিসিকের ট্রেড লাইসেন্স দেয়া বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানান এনামুল হাবিব।
আপনার মন্তব্য