১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৯:১৮
এবারের ঈদ-উল আজহায় প্রায় ৬০ কোটি টাকার চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন সিলেটের ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে গরুর চামড়া প্রায় ৮০ হাজার পিস, খাসি ৩০-৩৫ হাজার ও ২০-২৫ হাজার পিস ছাগলের চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এবছর আন্তর্জাতিক বাজার খারাপ হওয়ায় গত বছরের চেয়ে এবার ফুট প্রতি চামড়ার দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ঈদ-উল আজহায় সিলেটে প্রতিবছর চামড়ার হাট বসে নগরীর রেজিস্ট্রি মাঠ, সুরমা মার্কেট ও দক্ষিণ সুরমার ভার্তখলা এলাকায়। সিলেটের বিভিন্ন স্থান থেকে জবাই করা কোরবানির পশুর চামড়া এনে এসব হাটে বিক্রি করা হয়। এসব হাট থেকে চামড়া বিক্রির শতাধিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সংগৃহীত চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে পাঠানো হয় ঢাকায় ট্যানারিতে। পর্যাপ্ত বিনিয়োগের অভাব, লবণের দাম অত্যধিক বেড়ে যাওয়াকে চামড়া ক্রয়ে ব্যবসায়ীদের টার্গেট পূরণে প্রধান বাধা হিসাবেই দেখছেন চামড়া ব্যবসায়ীরা। তবে, প্রশাসনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে এবার চামড়া পাচারের আশঙ্কা করছেন না ব্যবসায়ীরা।
এবার গরুর চামড়ার ফুট ৪০ টাকা, খাসি ২০ ও ছাগলের চামড়া ১৫ টাকা ফুট নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর গরুর চামড়া প্রতি ফুট ৪৫-৫০ টাকা দরে কেনা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সিলেট শাহজালাল বহুমুখী চামড়া ব্যবসায়ী সমিতি নেতারা।
সিলেট শাহজালাল বহুমুখী চামড়া ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি শামীম আহমদ বলেন, এবার প্রায় লক্ষাধিক পিস পশুর চামড়া সংগ্রহের টার্গেট রয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৬০ কোটি টাকা। তবে ট্যানারি মালিকদের কাছ থেকে গত বছরের পাওনা টাকার ৬০ শতাংশ পাওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে কিছুটা সন্দেহ রয়েছে। আগের বছর ৫০ কোটি টাকার চামড়া সংগ্রহ করা হয়।
তিনি বলেন, এবার চামড়ার বাজারদর ভালো না। এর মধ্যে আবার লবণে স্মরণকালের দাম বেড়েছে। এবছর লবণের বস্তা ১৪৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। যা গত বছর বিক্রি হয় ৬২০ টাকায়। লবণের দাম বাড়ায় চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে না পারলে অনেক চামড়া নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আপনার মন্তব্য