১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২০:২৫
ফাইল ছবি
২৪ ঘন্টার মধ্যে নগরীর কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হবে বলে জানিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। ঈদের পরদিন কোরবানির বর্জ্যে কারণে নাগরিকদের দূর্ভোগ পোহাতে হবে না বলেও জানিয়েছেন সিসিক কর্মকর্তারা।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন নগরীতে ২০০ থেকে ২৫০ মেট্রিক টক বর্জ্য উৎপাদন হয় এবং কোরবানির ঈদের সময় তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫০-৪০০ মেট্রিক টনে। সিসিকের নিয়মিত প্রায় সাড়ে তিরশ' জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী প্রাত্যহিক বর্জ্য অপসারণে কাজ করলেও প্রতি বছরের ন্যায় কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মী। এছাড়াও সামগ্রিক বর্জ্য অপসারণে একটি কন্ট্রোল সেন্টারও বসানো হবে বলে জানায় সিসিক কর্তৃপক্ষ। ঠিক করে দেওয়া হয়েছে বর্জ্য ফেলার জায়গাও।
সিলেট সিটি করপোরেশন ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা হানিফুর রহমান জানান, সিলেট মহানগরীতে নিয়মিত সময়ে ২৫০ মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণে ৩৫৭ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাজ করেন।
“এবার মহানগরীতে প্রায় দেড় লাখ পশু কোরবানি হবে, যাতে আরও ১০০ মেট্রিক টনের মতো অতিরিক্ত বর্জ্য উৎপাদন হবে। এ কারণে অতিরিক্ত ১০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।”
এদিকে নগরীর পরিচ্ছন্নতার কথা মাথায় রেথে নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি ও বর্জ্য ফেলতে বিভিন্ন পন্থায় নগরবাসীকে সচেতন করা হচ্ছে বলে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীব জানান।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে নগরীর ২৭টি স্থানে কোরবানির স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা নগরবাসীকে নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি দিতে নানাভাবে প্রচারণা চালিয়েছি। গতবছরও আমরা একদিনের মধ্যেই বর্জ্য অপসারণ করতে সক্ষম হয়েছিলাম। আশা করছি এবছরও ঈদের দিনই সকল বর্জ্য অপসারণ করতে সক্ষম হবো।
এছাড়া নগরীর ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মাইকিং করে স্থানীয়দের সচেতন করার হচ্ছে বলে নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল জানান।
এনামুল হাবীব বলেন, নাগরিকরা যদি নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি দেন, তবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি যেমন সহজে করা যাবে, তেমনি পরিচ্ছন্ন থাকবে নগরীর রাস্তাঘাট।
আপনার মন্তব্য