১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৭:২৪
মঙ্গলবার ঈদের দিন পশু কোরবানির পর রাজধানী ঢাকা ভেসেছে 'রক্তবন্যা'য়। তবে সিলেট নগরের কোরবানির বর্জ্য অপসারণে অনেকটাই সফলতা দেখিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন। মঙ্গলবারের মধ্যেই নগরীর বর্জ্য বহুলাংশেই অপসারণ করতে সক্ষম হয়েছে সিসিক।
এবছর পশু কোরবানির জন্য নগরীর ২৭ টি ওয়ার্ডে ২৭ টি স্থান নির্ধারণ করে দেয় সিসিক। তবে এতে নগরবাসীর তেমন সাড়া পাওয়া যায় নি। নির্ধারিত স্থানের বাইরেই কোরবানি দিতে দেখা যায় বেশিরভাগ নাগরিকদের। এতে বর্জ্য অপসারণেও বেগ পেতে হয় নগর কর্তৃপক্ষকে। তবে ঈদের দিনের মধ্যেই বর্জ্য অপসারণে সক্ষম হন তারা।
ঈদের আগেই ২৪ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছিলেন সিলেট সিটি করপেোরেশেনর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীব। বুধবার দুপুরে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে নগরকর্তার এমন ঘোষণার প্রতিফলন পাওয়া গেছে।
সিসিক সূত্র জানায়, ঈদের দিন দুপুর ২টা থেকে প্রায় ৬০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়ে কাজ শুরু করে বুধবার সকালের মধ্যে বর্জ্য অপসারণকাজ সম্পন্ন করা হয়।
অন্যদিকে চামড়া ব্যবসায়ীদের রাস্তায় জড়ো করে রাখা চামড়ার কারণে সৃষ্ট বর্জ্যও অপসারণ করে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। দুর্গন্ধমুক্ত রাখার জন্য রাস্তায় ছিটানো হয় ব্লিচিং পাউডার।
সিলেট সিটি কর্পোরেশরেন চীফ কনজারভেন্সী অফিসার মো. হানিফুর রহমান জানান, এবার ছয়শ পরিচ্ছন্নকর্মী ছাড়াও অর্ধশতাধিক ট্রাক সার্বক্ষনিকভাবে বর্জ্য অপসারণ কাজে নিয়োজিত আছে। পরিচ্ছন্নতা কাজ মোটামুটি সম্পন্ন হলেও সিসিকের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা এখনো তৎপর রয়েছেন। যেখানেই বর্জ্য দেখবেন সাথে সাথে তারা পরিষ্কার করবেন। এ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামী এক সপ্তাহ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
আপনার মন্তব্য