২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২২:৫৫
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার জগদিশপুর বন বিটে আগুনে পাহাড়াদারদে শেট ঘর পুড়ে গেছে। এছাড়া ছন বাগানে লাগানো কলা গাছের চারা ও সবজি জমি নষ্ট করা হয়েছে।
অগ্নিকান্ডের ঘটনার পর বন বিভাগ নিরব ভুমিকা পালন করছে। বুধবার সন্ধ্যায় রঘুনন্দন রেঞ্জের জগদিশপুর বন বিটের ছন বাগানে এ আগুন লাগানো হয়। এতে ছন বাগানে তৈরী করা পাহাড়াদারদের থাকার জন্য শেট ঘরটি পুড়ে যায় এবং বেশ কিছু কলাগাছ কেটে নষ্ট করা হয়। ছন বাগানে নতুন করে সৃজন করা বাগানের একজন বেজুড়া গ্রামের হুমায়ুন মিয়া জানান, বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে এখানে সবজি ও কলা গাছ লাগিয়েছেন।
কেউ পূর্ব শক্রতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। যারা পূর্বে ছন বাগানের ইজারা নিত তারা আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাগান সৃজন করতে চেয়েছিল। আমরা তাদের না নেওয়ায় তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তাদের কাছে বন বিভাগের লিখিত অনুমতি রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন ১০ বছর যাবত এই বাগানে ছন হয় না। ৫ বছর যাবত তা বিক্রি হয় না। তাই বন বিভাগ ৯০ হেক্টর জায়গায় নতুন করে সৃজন করার জন্য পরিকল্পনা করে। তখন জমি তৈরী করে সবজি করার জন্য তাদের মৌখিক ভাবে দায়িত্ব দিলে তারা বাগান সৃজন করে।
জগদিশপুর বিটের ফরেষ্টার বীরেন্দ্র কিশোরন রায় জানান, এই ছন বাগান টিতে ছন হচ্ছিল না। তাই বাগান কতৃপক্ষ নতুন করে সৃজন করার জন্য পরিকল্পনা করে। সিলেট থেকে সার্ভেয়ার এসে মেপে গেছেন। বাগানে জমি তৈরী করার জন্য কয়েকজন কে রেঞ্জার স্যার দায়িত্ব দেন। তারা সেখানে কিছু গাছ রোপন করে। তখন যারা পূর্বে ছন বাগান ইজারা নিত তারাও আসে বাগান সৃজন করার জন্য। কিন্তু তাদের দেওয়া হয়নি।
তাদের না দেওয়াতে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এখন পযন্ত কোন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। রঘুন্দন রেঞ্জের রেঞ্জার আব্দুল্লা আল মামুনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মৌখিক ভাবে সবজি চাষ করার অনুমতি দিয়েছেন করে স্বীকার করেন। উর্ধ্বতন কর্মকতাদের সঙ্গে কথা বলে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সহকারী বন কর্মকর্তা চুনারুঘাট এজেএম হাসানুর রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিট কর্মকর্তা দুই পক্ষকেই বাগান করতে নিষেধ করেছিল। কিন্তু একটি পক্ষ করলে উত্তেজনা দেখা দেয়।
আপনার মন্তব্য