২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:০৫
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া গ্রামে দু পক্ষের সংঘর্ষে আহত আহাদ মিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন।
রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে লাশের ময়না তদন্ত শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ রোববার সকালে একই গ্রামের মোখলেছ মিয়া(৫৫), শাহিন (১৮), আবু তাহের (৫৫) কে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে।
নিহতের ভাই ওসমান মিয়া জানান, বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) একটি বিরোধপূর্ণ জমিতে একই গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে সাফু মিয়ার লোকজন তাদের নারিকেল গাছ থেকে জোরপূর্বক নারিকেল নিয়ে যায়। এ সময় তারা বাধা দিলে সাফু মিয়ার লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
তাদের অস্ত্রের আঘাতে তার ভাই আহাদ মিয়া (৫০), ওসমান (৪৫), পারভিন (৫৫), রুবি(৩৫), শাহ আলম(২২), রাফিকুল রনি (১৬), পারভিন (২৫), রুবেল (২০) সহ ৮ জন আহত হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আহাদ মিয়াকে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি মারা যান। এ খবর তাদের স্বজনদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা দেখা দেয়। আহাদ মিয়ার মৃত্যুর খবর পেয়ে সাফু মিয়ার লোকজন বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।
সাফু মিয়ার ছেলে ঈমন মিয়া জানান, সংঘর্ষে আমাদের লোকজন আহত হয়ে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছে। এ সুযোগে আদম খা, মজু মিয়া, রুবেল মিয়া, সাফু মিয়া, আক্তার মিয়ার বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
মাধবপুর থানার পরিদর্শক(তদন্ত) সাজেদুল ইসলাম পলাশ জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোখলেছ মিয়া, শাহিন, আবু তাহেরকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
আপনার মন্তব্য