০৫ অক্টোবর, ২০১৬ ২২:৪৯
হবিগঞ্জ শহরের গোসাই নগর এলাকার ঋষিহাটিতে হামলার চেষ্টা করেছে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী। বুধবার গভীর রাতে এ ঘটনাটি ঘটার সময় সবাই জড়ো হয়ে এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
ঋষি হাটির বাসিন্দা অমৃত ঋষি জানান, রাত প্রায় ২টার দিকে মুখে গামছা বাধা ৭ থেকে ৮জন লোক আমাদের হাটির প্রধান গেটের ভেতর ঢুকতে চেষ্টা করে। তাদের সবার হাতে বড় বড় রামদা ছিল। তখন আমাদের হাটির একজন দেখে সবাইকে খবর দেয়। আমরা সবাই পূজা মণ্ডপে কাজ করছিলাম। তাই তাড়াতাড়ি একত্র হয়ে গেটের সামনে আসলে তারা পালিয়ে যায়।
একই জায়গার বাসিন্দা সত্য ঋষি বলেন , আমরা নিরীহ মানুষ। কারো সাথে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। কিছুদিন পর আমাদের দুর্গা পূজা। এভাবে আমাদের উপর আক্রমণ চালানোর চেষ্টা করলে আমরা কিভাবে শান্তিতে পূজা উদযাপন করবো।আমরা নিরাপত্তা চাই।
এ ঘটনা জানার পর পূজা ও উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন লাল বনিকের নেতৃত্বে উক্ত কমিটির নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও ঋষিহাটির জন সাধারণের সাথে কথা বলেন। পূজা ও উৎসব উদযাপন কমিটির সভাপতি স্বপন লাল বনিক বলেন, এ সন্ত্রাসীরা পূজাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য এমন ভয় ভীতি প্রদর্শন করছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রকৌশলী শ্যামল কান্তি দাশ, স্বপন মজুমদার, বিপ্লব রায় সুজন, সুমন রায় শান্ত, পঙ্কজ কান্তি দাশ, কৌশিক আচার্য পায়েল, ধ্রুব জ্যোতি দাশ টিটু, চন্দন কুড়ি ও কাউন্সিলার নূর হোসেন।
এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি ইয়াসিনুল হক বলেন, পূজামণ্ডপ গুলোতে নিয়মিত টহল পার্টি কাজ করছে। হবিগঞ্জ শহরে ৩১টি পূজা মণ্ডপ। এছাড়াও শহরতলীতে কয়েকটি পূজা মণ্ডপ আছে। আমরা চেষ্টা করছি সবকটি পূজা মণ্ডপে নিরাপত্তা দিতে।
তিনি আরও বলেন, পূজাতে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যা ৬ থেকে ১১ তারিখ পর্যন্ত চলবে। সিসি ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ার মনিটরিং ডিউটি, শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে সাব কন্ট্রোল ও ট্রাফিক ডিউটি বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
আপনার মন্তব্য