নিজস্ব প্রতিবেদক

০৬ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:১৬

এবার বদরুলকে ‘শিবির নেতা’ দাবি ছাত্রলীগের

কলেজ ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসকে নৃশংসভাবে কোপােনা শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম শিবিরের রাজনীতির সাথে সক্রিয় ছিলো বলে অভিযোগ ওঠেছে। এমন অভিযোগ করেছে গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগ। যদিও শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান আহমেদের মতে শিবিরের হামলার শিকার হওয়ায় বদরুলকে পদ দেয়া হয়েছিল। পরে চাকরিতে প্রবেশ্রর জন্য যা খারিজ হয়ে যায়।

বদরুল এই কলেজের ছাত্র ছিলেন। তিনি শাবি ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটিতে সহ-সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন। যদিও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে চাকুরীতে যোগ দেওয়ার ফলে তিনি আর ছাত্রলীগে নেই।

বুধবার সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগ প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, ২০০৬-৭ সালে বদরুল একাদশ শ্রেণীতে এই কলেজে ভর্তি হন। কলেজে ভর্তি হওয়ার পর থেকে তিনি সক্রিয়ভাবে শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। এলাকায় তিনি শিবির নেতা হিসেবে পরিচিত বলেও এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়।

একারণে বদরুলের নামের সাথে ছাত্রলীগের পরিচয় ব্যবহার না করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অনুরোধ জানান গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তাজামুল হক রিপন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলামিন।

বিজ্ঞপ্তিতে খাদিজার উপর হামলার নিন্দা ও বদরুলের শাস্তি দাবি করা হয়।

অপরদিকে, বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শাবি ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বদরুল সত্য গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে দলীয় পদ বাগিয়ে নিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, সিলেট সরকারী মহিলা কলেজের স্নাতক শ্রেণীর ছাত্রী খাদিজা সোমবার পরীক্ষা দিতে তিনি এমসি কলেজে যান। কলেজ ক্যাম্পাসেই তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে শাবি ছাত্র বদরুল ইসলাম। বদরুল শাবি ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক। ঘটনার পর তাকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে তুলে দেয় শিক্ষার্থীরা। বুধবার এ ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় বদরুল।

আর মাথা-হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য কোপ নিয়ে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছে খাদিজা আক্তার।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত