নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ১৮:৩৭

হেমন্তেও গ্রীষ্মের তাপদাহ

গ্রামাঞ্চলে কথিত আছে ভাদ্র মাসের ১৩ তারিখই নাকি শীতের জন্ম হয়। ভাদ্র মানে শরতের শুরু। সেসময় শীত ওইভাবে না পড়লেও হেমন্ত কালে ঠিকই বাতাসেও শীতের আমেজ পাওয়া যায়। তবে এবার ঘটছে একদমই ব্যতিক্রম। শীতের আগমনী বার্তার বদলে কার্তিক মাসেও গ্রীষ্মের তাপদাহ সহ্য করছেন মানুষ।

সোমবার (১৭ অক্টোবর) বাংলা কার্তিক মাসের দ্বিতীয় দিনে প্রচণ্ড তাপদাহে পুড়েছেন সিলেট নগরবাসী। ভোর থেকেই সূর্যের প্রচণ্ড তাপে দিনভর হাঁসফাঁস করতে দেখা গেছে সাধারণ মানুষকে। এদিন সিলেটে আবহাওয়া বিভাগের রেকর্ড করা সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

হেমন্তে কেন এত গরম জানতে চাইলে  সিলেট আবহাওয়া কর্মকর্তা আবু সাঈদ সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "সাধারণত হেমন্তকালে এত গরম থাকে না। এই সময়ে শীতের আমেজ থাকার কথা কিন্তু বৈশ্বিক আবহাওয়ার পট পরিবর্তনের ফলে এখন হেমন্তেও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃষ্টি যখন হওয়ার কথা তখন হচ্ছে না, পরে হচ্ছে ফলে আবহাওয়ার সাইকেল উলট পালট হয়ে গেছে। "

আরও কয়েকদিন এমন গরম থাকার শঙ্কার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, "বাংলাদেশের পশ্চিমপ্রান্তে ফিলিপাইন অঞ্চলে একটা মাঝারি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার ফলে জলিয় বাষ্প টেনে নিয়েছে যার কারণে আরও কয়েকদিন তাপমাত্রা বেশি থাকতে পারে তবে ২/৩ দিন পর কমতে থাকবে তাপমাত্রা"

এদিকে অসময়ের তীব্র গরমে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। নগরীতে রিকশাচালক ও দিনমজুররা স্বাভাবিক দিনের মত শ্রম ব্যয় করতে পারছেন না ফলে কমে গেছে তাদের আয়ও।


আপনার মন্তব্য

আলোচিত