২৫ মার্চ, ২০১৭ ০৯:৩৮
সিলেটের দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ী এলাকায় ‘জঙ্গি আস্তানা’ আতিয়া মহলে চুড়ান্ত অভিযান শুরু হয়েছে।
আজ সকাল ৮টার দিকে সেনা কমান্ডোরা সেখানকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে 'টোয়াইলাইট' (গোধূলি) নামের ওই অভিযান শুরু করেন। সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের লে. কর্ণেল ইমরুল কায়েসের নেতৃত্বে এ অভিযান শুরু হয়।
আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুরুতেই আতিয়া মহলে আটকে পড়া লোকজনকে উদ্ধার করা হবে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার রোকন উদ্দীন অভিযান শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, 'এই মুহূর্তে আতিয়া মহল সেনা কমান্ডোদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তারা অভিযান শুরু করেছেন।'
গণমাধ্যমকর্মীসহ আশপাশের লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সিলেটের দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ি এলাকার পাঠানপাড়া সড়কের পাশে অবস্থিত পাঁচতলা ও চারতলাবিশিষ্ট দুটি ভবনের নাম আতিয়া মহল। সিলেট নগরীর আতিয়া ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ির বান্দরঘাটের (বন্দরঘাট) বাসিন্দা উস্তার মিয়া।
এই বাড়িতে জঙ্গিরা আস্তানা গেড়েছে এমন সন্দেহে বৃহস্পতিবার রাত ২ টা থেকে বাড়িটি ঘিরে রাখে পুলিশ। শুক্রবার দিনভর পুলিশ, সোয়াট ও সেনাসদস্যরা বাড়িটিকে ঘিরে রাখে। এসময় হ্যান্ডমাইকে করে বারবার সন্দেহভাজন জঙ্গিদের আত্মসমর্পনের আহ্বান জানানো হয়। তবে এতে সাড়া মিলেনি। অবশেষে বাড়িটি ঘিরে রাখার প্রায় ত্রিশ ঘন্টা পর চুড়ান্ত অভিযানে নামে সেনা সদস্যরা।
অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রথমে আতিয়া মহলের অন্য ফ্ল্যাটগুলোতে আটকে পড়াদের উদ্ধার করা হবে। পরে জঙ্গিদের ভবনের বাইরে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হবে।
ভবন মালিক জানিয়েছেন, পাঁচ তলা ভবনটিতে ৩০ টি ফ্ল্যাটে মোট ২৮ টি পরিবার ভাড়া থাকেন।
এই ভবনের নিচ তলার একটি ফ্ল্যাট গত জানুয়ারি মাসে প্রাণ কোম্পানির অডিট অফিসার পরিচয়ে কাওসার আহমদ ও মর্জিনা বেগম দম্পত্তি।
ওই ফ্ল্যাটটিকে ঘিরেই চলছে ত্রিশ ঘন্টা ধরে অভিযান।
আপনার মন্তব্য