০১ এপ্রিল, ২০১৭ ২০:২৭
সিলেটে ছাত্রদল কর্মী হাসান আহেমদ ওরফে ডন হাসানকে হত্যার দৃশ্য ধরা পড়েছে পাশ্ববর্তী ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরায়। পুলিশ সিসি ক্যামেরা থেকে হত্যা দৃশ্যের ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। এই ঘটনায় আটককৃত চারজনে ফুটেজ দেখে সনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুহেল আহাম্মদ।
শুক্রবার রাত ৯টার দিকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১নং ফটকের সামনের রাস্তায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় হাসান আহমেদ ওরফে ডন হাসান (২৭) নামের এক ছাত্রদল কর্মীকে।
পুলিশের জব্দকৃত ওই হত্যাকান্ডের সিসি টিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাস্তায় পড়ে আছে এক যুবক (হাসান)। তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যোপুরি কুপাচ্ছে আরেক যুবক। পাশে আরো কয়েকজন যুবক দাঁড়িয়ে আছে।
প্রকাশ্যেই সড়কে কুপানো হচ্ছে। আশপাশেই রয়েছে যানবাহন, খোলা রয়েছে দোকানপাটও। তবে কুপানোর সময় কেউ এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি। কুপানো শেষে হাসানকে সড়কে নিস্তেজ অবস্থায় ফেলে রেখে হামলাকারীরা চলে যাবার পর অনেককে এগিয়ে আসতে দেখা যায় ফুটেজে।
এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় অস্ত্রসহ চার জনকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার পরপরই রাব্বী, সাজু ও সাথী নামে তিনজনকে রিভলবার ও দেশি অস্ত্রসহ আটক করা হয়। শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ছেলের হত্যার দায়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে ১৬ জনকে আসামী করে কতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন হাসানের মা জাহেরা বেগম।
ওসি সুহেল জানান, ঘটনাস্থল থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। আরো কেউ এতে জড়িত কিনা তা ফুটেজ দেখে পরীক্ষা করা হচ্ছে।
শুক্রবার রাত পৌনে ৯ টার দিকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জরুরি বিভাগের ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে কোতোয়ালি থানার ওসি সোহেল আহমদ জানান।
নিহত হাসান নগরীর মুন্সীপাড়ার মানিক মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শাওন নামের এক স্কুল ছাত্র হত্যা মামলার চার্জশীটভূক্ত আসামী ছিলেন নিহত হাসান। কিছুদিন আগে এই মামলার কয়েকজন সাক্ষীকে পিটিয়ে আহতও করেন হাসান।
ভিডিও :
আপনার মন্তব্য