২২ এপ্রিল, ২০১৭ ২০:২৫
সিলেট-তামাবিল সড়ক দিয়ে গত ৪ দিন ধরে বালু পরিবহন ধর্মঘট অব্যাহত রয়েছে। সারীঘাটে বাঁশকল বসিয়ে চাঁদাবাজি ও অবৈধ টোল আদায়ের প্রতিবাদে এ ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছে সিলেট জেলা ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন। দাবি আদায় না হলে সিলেট-তামাবিল সড়ক অচল করে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন শ্রমিক নেতারা।
তাদের দাবি, অবিলম্বে জৈন্তাপুরের সারীঘাট ও বড়গাং থেকে ইজারাবিহীন বালু উত্তোলন ও সড়কে বাঁশকল ব্যারিকেড দিয়ে টোল নামে চাঁদা আদায় বন্ধ করতে হবে। আর এ দাবিতে শ্রমিকরা গত বুধবার (১৯ এপিল) থেকে ধর্মঘট অব্যাহত রেখেছেন।
শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, ধর্মঘট ডাকার পরেও টনক নড়েনি প্রশাসনের। বন্ধ হয় নি অবৈধ বালু উত্তোলন ও বাঁশকল চাঁদাবাজি। ফলে ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা ক্রমশঃ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সিলেট জেলা ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ শনিবার (২২এপ্রিল) এক সভা করে প্রশাসনের এমন অবজ্ঞা ও খামখেয়ালীর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, মেসার্স জুয়েল এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স হক ট্রেডার্স-এর ইজারা মেয়াদ ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেলেও তারা ইজারাবিহীন বালু উত্তোলন ও বাঁশকল বসিয়ে অবৈধ টোল আদায় অব্যাহত রেখেছে।
সভায় ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ কঠোর হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, অবিলম্বে বাঁশকল চাঁদাবাজি বন্ধ করা না হলে শুধু বালু পরিবহন নয়, সকল প্রকার মালবাহী পরিবহন বন্ধ করে দেয়া হবে। অচল করে দেয়া হবে সিলেট-তামাবিল সড়ক।
ইউনিয়নের দক্ষিণ সুরমাস্থ কার্যালয়ে শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন, সিলেট জেলা ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ চট্ট২১৫৯)-এর সভাপতি দিলু মিয়া। ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি আব্দুস সালাম মিয়ার পরিচালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ইউনিয়ন-এর কার্য নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি মো. হাসমত আলী হাসু, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল গফুর, যুগ্ন সম্পাদক মো. আরিফ হোসেন হিরা, সাংগঠনিক সম্পাদক নিখিল চন্দ্র দাস, প্রচার সম্পাদক মো. মানিক মিয়া, দপ্তর সম্পাদক মো. বাবুল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মো. রাজু আহমদ তরু, সদস্য মো. কানু মিয়া, মো. লায়েছ মিয়া, মো. আব্দুল জলিল, মো. আলী আহমদ, মো. শরিফ আহমদ প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য